ইরাক ও সিরিয়ায় থাকা ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত সপ্তাহে জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের এক সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় প্রতিক্রিয়া হিসেবে এ হামলা চালাচ্ছে মার্কিন সরকার।
মার্কিন এ হামলায় সিরিয়ায় ইতিমধ্যে কমপক্ষে ১৮ ইরানপন্থী যোদ্ধা নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস।
শনিবার আল জাজিরাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এ তথ্য জানায়।
বিবিসি জানায়, সিরিয়া ও ইরাকে থাকা ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) এলিট বাহিনী কুদস ফোর্স এবং তাদের সমর্থিত বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর সাতটি স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী।
এর মধ্য চারটি স্থাপনা সিরিয়ায় ও তিনটি ইরাকে। হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল ৮৫টি। এ ছাড়া লক্ষ্যগুলোর মধ্যে ছিল সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র, সামরিক রসদভান্ডার এবং ড্রোন স্টোরেজ ইউনিট।
এ বিষয়ে স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকেলে এক বিবৃতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানান, তাঁর নির্দেশে মার্কিন বাহিনী ইরাক ও সিরিয়ায় আইআরজিসি ও তাদের সহযোগী সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। এসব স্থাপনা মার্কিন বাহিনীকে আক্রমণ করার জন্য ব্যবহার করা হতো।
যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারিত সময়ে এবং পছন্দমতো জায়গায় এ হামলা চলতে থাকবে বলেও জানান বাইডেন
এদিকে আল জাজিরা জানায়, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী এবং তেহরান-সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলোর ওপর হামলা চালানোর পর সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলে কমপক্ষে ১৮ জন ইরানপন্থি যোদ্ধা নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে পাঁচজন নিহত হয়েছেন দেইর এজ্জোর এলাকায়।
যদিও এখন পর্যন্ত মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা আনুমানিক মৃতের সংখ্যা জানাননি। তবে হামলার ফলে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন তারা।
এদিকে ইরাক ও সিরিয়ায় ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার বিষয়ে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া বা আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি তেহরান।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চায় না যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী 