২৫ শতাংশ রোগী বেড়েছে করোনায়, ডেঙ্গুতে কমেছে

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৫:৫৬ এএম

দেশে গত এক সপ্তাহে করোনা রোগী ২৫ শতাংশ বেড়েছে। তবে ডেঙ্গু রোগী কমেছে ২৫ শতাংশ। এ সময় এই দুই রোগে মৃত্যু একই রকম রয়ে গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাপ্তাহিক তথ্য বিশ্লেষণ অনুযায়ী, গত সপ্তাহে (২৯ জানুয়ারি-৪ ফেব্রুয়ারি, ৫ম সপ্তাহ) করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ২৯৯ জন। এর আগের সপ্তাহে (২২-২৮ জানুয়ারি, চতুর্থ সপ্তাহ) শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ২৪০ জন। সে হিসেবে এ সপ্তাহে রোগী বেড়েছে ২৪ দশমিক ৬ শতাংশ। এর আগে চতুর্থ সপ্তাহে তার আগের তৃতীয় সপ্তাহের (১৫-২১ জানুয়ারি) তুলনায় রোগী বেড়েছিল ৫১ শতাংশ। তবে তৃতীয় সপ্তাহে তার আগের দ্বিতীয় সপ্তাহের (৮-১৪ জানুয়ারি) তুলনায় করোনা রোগী ১৬ শতাংশ কমেছিল।

গত সপ্তাহে করোনা পরীক্ষাও বেড়েছে ৪২ শতাংশ। এ সময় ৪ হাজার ৪৩২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর আগের চতুর্থ সপ্তাহে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল ৩ হাজার ১৩১টি। সে হিসাবে সপ্তাহে নমুনা পরীক্ষা বেড়েছে ৪১ দশমিক ৬ শতাংশ। অবশ্য চতুর্থ সপ্তাহে তৃতীয় সপ্তাহের তুলনায় পরীক্ষা বৃদ্ধির হার কম ছিল, ৯ শতাংশ। তৃতীয় সপ্তাহে পরীক্ষা করা হয়েছিল ২ হাজার ৮৬৯টি নমুনা।

তিন সপ্তাহ ধরে করোনায় মৃত্যু একই রকম রয়ে গেছে। অর্থাৎ এ সময় সপ্তাহে একজন করে মারা গেছে। সর্বশেষ দ্বিতীয় সপ্তাহে দুজনের মৃত্যু হয়েছিল।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) দেশে ৭৮১টি নমুনা পরীক্ষা করে ৫১ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষা অনুপাতে রোগী শনাক্তের হার ছিল ৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ। তবে রোগীর এই সংখ্যা গত এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে এর চেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছিল গত ৩০ জানুয়ারি, ৫৭ জন।

অন্যদিকে, গত সপ্তাহে তার আগের চতুর্থ সপ্তাহের তুলনায় ডেঙ্গু রোগী ২৫ শতাংশ কমেছে। গত সপ্তাহে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয় ১১৫ রোগী ও তার আগের চতুর্থ সপ্তাহে ভর্তি হয়েছিল ১৫৩ রোগী। সে হিসাবে সপ্তাহের ব্যবধানে ডেঙ্গু রোগী কমেছে ২৫ শতাংশ। চতুর্থ সপ্তাহে তার আগের তৃতীয় সপ্তাহের তুলনায় রোগী কমেছিল ১৬ শতাংশ ও তৃতীয় সপ্তাহে দ্বিতীয় সপ্তাহের তুলনায় রোগী কমেছিল ৩৭ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬ জন ভর্তি হয়েছে ঢাকায় ও বাকি ৫ জন ঢাকার বাইরে। এ সময় ঢাকায় ১ জন মারা গেছে।

এ নিয়ে এ বছর ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ১৩২ জন। তাদের মধ্যে ঢাকায় ৩৮৮ ও ঢাকার বাইরে ৭৪৪ জন রোগী। মারা গেছে ১৬ জন। তাদের মধ্যে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকায় ও ৬ জনের ঢাকার বাইরে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত