সামরিক শাসিত মিয়ানমারের সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি সমাধানে জোরদার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে থাইল্যান্ড। দেশটিতে যুদ্ধরত পক্ষগুলোর মধ্যে আলোচনার পথ তৈরি করতে একটি নতুন মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে থাইল্যান্ড।
মঙ্গলবার এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান থাইল্যান্ডের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সিহাসক ফুয়াংকেটকিও। খবর রয়টার্স।
ফুয়াংকেটকিও জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি মাসের শেষভাগে মিয়ানমার সীমান্তে একটি মানবিক নিরাপদ অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করতে চায় থাইল্যান্ড। রেডক্রসের সহায়তায় প্রাথমিকভাবে সেখানে সংঘাতে বাস্তুচ্যুত ২০ হাজার মানুষকে মানবিক ত্রাণ দেওয়ার পরিকল্পনা তাদের।
এছাড়া, মিয়ানমারের সংঘাত নিরসনে লড়াইরত পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছে তারা। চলমান সংঘাত নিয়ে ইতিমধ্যে মিয়ানমারের আঞ্চলিক কর্মকর্তা, জাতিগত বিদ্রোহী গ্রুপ, চীন, ভারত ও আমেরিকার মতো দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
থাইল্যান্ডের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রত্যাশা, পরিকল্পনাটি ১০ সদস্যের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোটের (আসিয়ান) শান্তিপ্রক্রিয়ার প্রচেষ্টাকে জোরদার করবে।
থাইল্যান্ডের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মিয়ানমারকে অস্থিতিশীল দেখতে চাই না। প্রক্রিয়াটি (শান্তি) অবশ্যই কার্যকর, বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছ হতে হবে।’
তবে জান্তা এ ধরনের আলোচনায় রাজি হয়েছে কিনা তা তিনি বলেননি।
এদিকে থাইল্যান্ডের উদ্যোগটির প্রতি গত সপ্তাহেই সমর্থন দিয়েছেন আসিয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। এ ছাড়া মিয়ানমারের একজন প্রতিনিধিও উদ্যোগটির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।
বিশ্বের সবচেয়ে নিকৃষ্ট সরকার মিয়ানমারের জান্তা
স্কুলে জান্তার বোমা হামলা, নিহত ৪ শিশু