রংপুরের মিঠাপুকুরে ডাকাতির সময় বাধা দিতে গিয়ে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন মোর্শেদা বেগম সুইটি (৩২) নামে এক নারী। এ সময় গুরুতর আহত হয়েছেন তার স্বামী মিজানুর রহমান। গতকাল বুধবার ভোরে উপজেলার বড়বালা ইউনিয়নের ছড়ান শালিকাদহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তবে ডাকাতরা কী পরিমাণ মালামাল লুট করেছে তা জানা যায়নি।
নিহত সুইটি মিঠাপুুকুরের ছড়ান ডিগ্রি কলেজের সহকারী লাইব্রেরিয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৪টার দিকে ১০-১২ জন ডাকাত বাড়িতে ঢুকে স্বামী-স্ত্রীকে জিম্মি করে মালামাল লুট করতে থাকে। এ সময় সুইটি চিৎকার করতে থাকলে ডাকাতরা তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। স্বামী মিজানুর রহমান তাকে বাঁচাতে এলে ডাকাতরা তাকেও ছুরিকাঘাতে জখম করে। ঘটনাস্থলেই সুইটি মারা যান। একপর্যায়ে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে ডাকাতরা পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা মিজানুর রহমানকে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে পাঠায়। তবে ডাকাতির ঘটনায় কী পরিমাণ মালামাল লুট হয়েছে তা জানাতে পারেনি পুলিশ ও আশপাশের বাসিন্দারা।
মিঠাপুকুর থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, রংপুর পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছেন। ডাকাতদের গ্রেপ্তারসহ লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার এবং হত্যার রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশের একাধিক টিম।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু হাসান মিয়া বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা সেই নির্দেশনা অনুযায়ী সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ঘটনাটি খতিয়ে দেখছি।’
