দাউদকান্দিতে নির্মাণের পর থেকে দীর্ঘদিন তালাবদ্ধ হয়ে পড়ে আছে দুটি পবলিক টয়লেট। বাসস্ট্যান্ড ও জনবহুল স্থানে স্থাপিত পাবলিক টয়লেট তালাবদ্ধ থাকায় লোকজনকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
জানা গেছে, ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি উপজেলার ব্যস্ততম জনবহুল গৌরীপুর ও রায়পুর বাসস্ট্যান্ডে মোট ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত দুটি পাবলিক টয়লেট দীর্ঘদিন ধরে তালাবদ্ধ থাকায় তা কোনো কাজেই আসছে না। পথচারীদের স্যানিটেশনের সুবিধার্থে টয়লেট দুটি নির্মাণ করা হয়। যদি তালাবদ্ধই রাখা হয় তাহলে সরকারি টাকা ব্যয়ে পাবলিক টয়লেট দুটি নির্মাণ করা হয়েছে কেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ও রায়পুর বাসস্ট্যান্ড জনসাধারণ ও পথচারীদের স্যানিটেশন সমস্যার সমাধানে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থায়নে প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। জাতীয় স্যানিটেশন প্রকল্প (তৃতীয় পর্যায়) ২০১৮-১৮ অর্থবছরে ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ডে এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে রায় বাসস্ট্যান্ডে পাবলিক টয়লেট নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।
দাউদকান্দি উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. তারেক রহমান জানান, নির্মাণকাজ যথাসময়ে সমাপ্তির পর উপজেলা পরিষদকে হস্তান্তর করা হয়েছে। এরপর ইজারাও দেওয়া হয়েছিল। এখন কি কারণে বন্ধ বলতে পারব না।
গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ডের স্থানীয় দোকানদার (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ডটি আশপাশের ৪-৫টি উপজেলার জংশন। এখানে প্রতিদিন হাজার লোকের চলাচল। পাবলিক টয়লেটটি বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা যাত্রীদের।
স্থানীয় ও পথচারীরা অভিযোগ করে বলেন, সরকারি টাকা ব্যয়ে টয়লেট নির্মাণ করে তালাবদ্ধ রাখা হয়েছে। এতে মানুষের কোনো কাজেই আসছে না। দ্রুত তালা খুলে পথচারীদের জন্য টয়লেট দুটি উম্মুক্ত করবেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এমনটাই প্রত্যাশা করেছেন।
দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরফাতুল আলম জানান, পাবলিক টয়লেট তালাবদ্ধ থাকার বিষয়টি দুঃখজনক। কি বন্ধ রয়েছে খোঁজ নিয়ে আমরা সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করব।
