চট্টগ্রামের সদরঘাট এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে দুজনের কাছে নগরের চকবাজার এলাকায় চুরি হওয়া ১২৩ ভরি স্বর্ণালংকার ৫৩ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া তাদের কাছ থেকে একটি পাইপগান, এক রাউন্ড কার্তুজ ও ধারালো অস্ত্রও উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার ছয়জন হলেন আরিফ হোসেন মেহেদী ওরফে মেহেদী হাসান (২৬), মো. আইয়ুবের ছেলে মো. শরীফ (২০), মেহেদী হাসান রুবেল (২৩), মো. সাইদুল ইসলাম রিগ্যান (২২), মো. হান্নান হোসেন (২৩) এবং মো. রিয়াদ হোসেন (১৯)। তারা দেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা।
এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি রাতে নগরের চকবাজার থানাধীন মেহেদীবাগ এলাকার আমিরবাগ আবাসিকের "এস আর হাউজ" নামে একটি বাড়ির বেলকনির গ্রিল কেটে দুর্বৃত্তরা চুরি করে ১২৩ ভরি স্বর্ণালংকার।
নগর পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, গ্রেপ্তারের পর আরিফ হোসেন মেহেদী প্রকাশ মেহেদী হাসান আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। এতে তিনি বলেন, তার কাছে চোরাই স্বর্ণালংকার লুকায়িত আছে। তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়ে ডবলমুরিং থানাধীন বারেক বিল্ডিং মোড় এলাকায় কনকর্ড গ্রুপের খালি জায়গায় থাকা ঝোপের মধ্যে মাটির নিচ থেকে রাত (মেহেদী) দেখানো মতে ৫১ ভরি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করে পুলিশ।
জিজ্ঞাসাবাদে মেহেদী জানিয়েছে, স্বর্ণালংকারগুলো তিনিসহ তার সাথে থাকা অপরাপর আসামিরা চকবাজার মেহেদীবাগ আমিরবাগ আবাসিক এলাকার একটি একটি বাসা থেকে গত ২ ফেব্রুয়ারি চুরি করে। সিএমপির এডিসি নোবেল চাকমা জানান, গ্রেপ্তারকৃত ছয়জনের বিরুদ্ধে নগরের ডবলমুরিং, বন্দর, সদরঘাটসহ বিভিন্ন থানায় চুরি, ডাকাতি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।
চকবাজার থানার উপপরিদর্শক তৌহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, সদরঘাট থানা পুলিশের অভিযানে ধরা পড়া ছয়জনের মধ্যে মেহেদী ও শরীফ গত ২ ফেব্রুয়ারি মেহেদীবাগ এলাকায় আমিরবাগের এক সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীর বাসা থেকে ১২৩ ভরি সোনা চুরির ঘটনায় সরাসরি জড়িত ছিল। এ ঘটনায় মোট পাঁচজন জড়িত থাকার তথ্য তদন্তে উঠে এসেছে। গ্রেপ্তার মেহেদী ও শরীফকে চকবাজার থানায় হওয়া সোনা চুরির মামলায় আদালতে শোন এরেস্ট দেখানোর আবেদন করা হবে। এই দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদনও করা হবে।
মধ্যরাত থেকে ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা