হায়দরাবাদে ঢাকার মেঘলা

আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২:৫০ এএম

বাংলাদেশি অভিনেত্রী মেঘলা মুক্তা এই মুহূর্তে রয়েছেন ভারতের হায়দরাবাদে। বাংলাদেশি হলেও মেঘলার প্রথম অভিষেক হয় তেলেগু চলচ্চিত্রে। ২০১৯ সালে ১ ফেব্রুয়ারি ভারতের ১৫০ সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছিল মেঘলার প্রথম তেলেগু ছবি ‘সাকালাকালা ভাল্লাভুডু’। শিবা গণেশ পরিচালিত ছবিতে মেঘলার নায়ক ছিলেন তানিশক রেড্ডি। ওই ছবির সুবাদে সেখানে যাতায়াত ও পরিচিত হন তিনি।

এরপর বাংলাদেশে মুক্তি পায় তার বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র ‘পায়ের ছাপ।’ প্রথম ছবি ২০১৯-এ মুক্তি পেলেও আর কোনো দক্ষিণী সিনেমায় দেখা যায়নি তাকে। এর কারণ হিসেবে জানালেন, কভিড পরবর্তী সময়ে ভিসা জটিলতা। করোনাকাল শেষ হয়ে গেলেও ভারতের ভিসা পাচ্ছিলেন না। গত জানুয়ারিতে ভিসা পেয়েই উড়াল দেন হায়দরাবাদে। সেখানে বেশ কিছু দক্ষিণী সিনেমায় কাজের বিষয় মিটিং করছেন অভিনেত্রী। হায়দরাবাদ থেকেই দেশ রূপান্তরকে বললেন, ‘আমি গত দুই সপ্তাহ হলো এখানে এসেছি। নতুন অনেকগুলো সিনেমা নিয়ে কথা হচ্ছে। একের পর মিটিং করছি। এর বাইরে নাচ, কারাতে ও জিমে বাকি সময় কাটাচ্ছি।’

ইতিমধ্যে একটি ওটিটির কাজ চূড়ান্ত হয়েছে। শিগগির শুটিংয়ে যাবে টিম। এছাড়াও কিছু চলচ্চিত্রের প্রি-প্রোডাকশন চলছে। মেঘলা মুক্তা বললেন, ‘এসব ছবিতে এখনো চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত আমি ঘোষণা দিতে পারছি না। নিশ্চয়ই ভালো কিছু হবে।’

চলচ্চিত্রের মিটিং ও কাজ ছাড়া বাকি সময় হায়দরাবাদে কাটছে কীভাবে? এই প্রশ্নের জবাবে মেঘলা মুক্তা বললেন, আসলে এখানে আমার অনেক বন্ধু। তাদের সঙ্গে আড্ডা দিই। কদিন আগে আমাদের প্রথম ছবি ‘সাকালাকালা ভাল্লাভুডু’ রিইউনিয়ন হলো, বেশ মজা হলো। এখানে আমি একটা স্টুডিও অ্যাপার্টমেন্টে থাকি। ২০১৯ সালে আমি যে অ্যাপার্টমেন্টে ছিলাম, এবারও এসে সেখানেই উঠেছি। কারণ এখানে একটা পারিবারিক পরিবেশ রয়েছে, আশপাশে সব চলচ্চিত্রের বন্ধুরা রয়েছে। বেশ সুন্দর সময় কেটে যায়। তাছাড়া নাচ শিখছি, চর্চা করছি। জিম নিয়মিত করতে হচ্ছে। আর কারাতে বাংলাদেশে শিখেছিলাম, সেটাও এখানে নিয়মিত করছি। কারণ সাউথের সিনেমায় এসব জরুরি।

তেলেগু ভাষা মেঘলা মুক্তা রপ্ত করে ফেলেছেন। ফলে সেখানে ভাষাগত কোনো সমস্যায় পড়তে হয় না তাকে। ভারতের দক্ষিণের চলচ্চিত্রেই থিতু হবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে মেঘলা মুক্তা বলেন, এখানে আমার একটা পরিচিতি গড়ে উঠেছে। অনেক সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তাই এখানের চলচ্চিত্রে আমি নিয়মিত কাজ করব। এর সঙ্গে বাংলাদেশে ভালো কোনো প্রস্তাব পেলে সেসব ছবিও করব। প্রয়োজনে আসা যাওয়া চলবে। এই তো কিছুদিন পরে যাব ‘আগুনের পাখি’ চলচ্চিত্রের ডাবিং বাকি আছে। সেটা করে আবার ব্যাক করব।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত