এক্সপ্রেসওয়েতে আ.লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ

আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৭:১৫ এএম

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়নের তারাইল হাজি ইরফান উদ্দিন পেট্রোল পাম্পের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে হাইওয়ে এক্সপ্রেসওয়েতে আধা ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল।

পুলিশ জানায়, এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তারাইল ঈশ্বরদী গ্রামের মোখলেসুর রহমান সুমন মাতুব্বরের সঙ্গে একই গ্রামের ফারুক তালুকদার ও সাইদুল শিকদারের দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। এ দুই গ্রুপের মধ্যে এর আগেও কয়েক দফা হামলা, মামলা ও সংঘর্ষ হয়েছে। সোমবার সকালে ঈশ্বরদী গ্রামের আতাহার চৌধুরীর স্ত্রী মারা গেলে সেখানে সুমনের লোকজন জানাজায় অংশ নেয়। এ সময় ফারুক তালুকদার ও সাইদুল শিকদারের লোকজন সুমন মাতুব্বরের দলের রাজিব মাতুব্বরকে ধরে নিয়ে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেয়।

এ সংবাদ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে মঙ্গলবার দুই গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এক্সপ্রেসওয়ের ওপর সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে সুমন মাতুব্বরের হাজি ইরফান উদ্দিন ফিলিং স্টেশন পেট্রোল পাম্প, পাঁচটি মোটরসাইকেল, দুটি দোকানে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। পরে ভাঙ্গা থানার পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করে। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

পেট্রোল পাম্পের মালিক মোকলেসুর রহমান সুমন জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কাজী জাফরউল্লার নৌকা মার্কার নির্বাচন করেছি এবং আগামী উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। তারাইল ঈশ্বরদী গ্রামের ফারুক তালুকদার ও সাইদুল শিকদারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। সম্মানহানি ও ক্ষতি করার জন্য আমার লোকজনকে ধরে নিয়ে পা ভেঙে দিয়েছে। কয়েকজনকে মারধর করেছে। আমার পেট্রোল পাম্পটি ব্যাপক ভাঙচুর করেছে।

এ ব্যাপারে ফারুক তালুকদারের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভাঙ্গা থানার ওসি মামুন আল-রশিদ বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত