পদ্মা-মেঘনায় দুই মাস মাছ ধরতে মানা

আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০১:০৩ পিএম

চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনাসহ দেশে ইলিশের ছয়টি অভয়াশ্রমে মার্চ-এপ্রিল জাটকাসহ সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে এখন থেকে জাল-নৌকা তীরে তুলে নিচ্ছেন জেলেরা।

মৎস্য অধিদপ্তর জানায়, ইলিশ উৎপাদনের ধারা অব্যাহত রাখতে ২০০৬ সাল থেকে মার্চ-এপ্রিল দুই মাস এই কর্মসূচি পালিত হয়ে আসছে। চাঁদপুরের বিস্তীর্ণ পদ্মা-মেঘনা নদীর ৭০ কিলোমিটার এলাকাসহ দেশের ছয়টি অঞ্চলকে ইলিশের অভয়াশ্রম ঘোষণা করেছে সরকার। এই সময়ে নদীতে কোনো প্রকার মাছ আহরণ করা যাবে না।

নিষেধাজ্ঞার এই সময় জাটকা সংরক্ষণ, পরিবহন ও নিষেধ। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ মাছ ধরলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা হিসেবে জেল জরিমানাসহ আর্থিক জরিমানা করা হবে। এসব জরিমানা এক বা একাধিকও হতে পারে।

চাঁদপুর নৌ অঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান বলেন, অভিযান সফল করতে সকল ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। কোনো অবস্থাতেই জেলেদের নদীতে নামতে দেওয়া হবে না। কেউ যদি এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত হয় তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে। অভিযান চলাকালীন সময়ে চরভৈরবী এলাকায় একটি অস্থায়ী নৌ-ফাঁড়ি তৈরি করা হবে বলে জানান তিনি।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. গোলাম মেহেদী হাসান বলেন, জাটকা রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। জাটকা বাঁচানো না গেলে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধ হবে না। তাই সকল জেলের প্রতি আহ্বান এই সময়ে যেন কোনো অবস্থাতেই নদীতে না নামে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকারে নামলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে এ বছর জেলার ৪০ হাজার ৫ জন জেলেকে ৪ মাস ৪০ কেজি করে চাল দেয়া হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত