বাংলাদেশ ইনিংসের চতুর্থ ওভারে বোলিংয়ে আসেন লঙ্কান পেসার নুয়ান থুশারা। প্রথম বলটি যেমন তেমন করলেও পরের তিন বলে শান্ত, হৃদয় ও রিয়াদকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিক করেন তিনি। তাতে দলীয় ১৫ রানে ৮ বলের ব্যবধানে নেই বাংলাদেশের ৪ উইকেট।
এর আগের ওভারে প্রথম বল করেই ইনজুরিতে পড়ে মাঠ থেকে বেরিয়ে যান অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস। তার অসমাপ্ত ওভার পুর্ণ করতে এসে প্রথম বলেই লিটন দাসের উইকেট তুলে নেন ধনঞ্জয়া ডি সিলভা। প্রথম দুই ম্যাচে একাদশে ছিলেন না ধনঞ্জয়া ও থুশারা।
থুশারার প্রথম উইকেট নাজমুল হোসেন শান্তর। ক্রিজে আসা শান্ত তার করা ইনসুইঙ্গিং ডেলিভারি খেলতেই পারেননি। ব্যাট ও প্যাডের ফাঁক গলে তা উপড়ে নিয়ে যায় স্টাম্প। পরের বলটি আরো চমৎকার। এবার প্রায় একই রকম ডেলিভারিতে স্টাম্প উড়ে যায় তাওহীদ হৃদয়ের। মাঠ ছাড়ার আগে লঙ্কান খেলোয়াড়দের সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়ান হৃদয়।
পরের বলটি করেন আউট সুইং। তাতে আম্পায়ার্স কলে লেগ বিফোর হয়ে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ফিরলে পূর্ণ হয় থুশারার হ্যাটট্রিক। চাপ সামলাতে বিনুরা পরের ওভারে দুটো চার হাঁকান সৌম্য। তবে থুশারা ফিরে এসে নিজের পরের ওভারের তৃতীয় বলে আউট করেন সৌম্য সরকারকেও। বাঁহাতি সৌম্যর জন্য আসা ইনসুইংয়ের জবাব দিতে পারেননি ব্যাটে। হয়েছেন বোল্ড।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ৫৭তম বোলার হিসেবে হ্যাটট্রিক করলেন থুশারা। এ তালিকায় শ্রীলঙ্কার ৫ম বোলার তিনি। তার আগে থিসারা পেরেরা, লাসিথ মালিঙ্গা (দুইবার), আকিলা ধনঞ্জয়া ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে লঙ্কানদের হয়ে হ্যাটট্রিক করেন।
