মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

রংপুরে ইসি রাশেদা

নির্বাচন কমিশনে আস্থা ফিরেছে ভোটারদের

আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:০২ এএম

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) বেগম রাশেদা সুলতানা বলেছেন, মাঠপর্যায়ে সততা, দেশপ্রেম ও নিরপেক্ষতায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হওয়ায় নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থা ফিরেছে ভোটারদের। জাতীয় নির্বাচনের পর নির্বাচন কমিশন নিয়ে কোনো নেগেটিভ কথা আর শোনা যায়নি। ফলে নির্বাচন কমিশনের জন্য আস্থার জায়গা তৈরি হয়েছে।

গতকাল রবিবার দুপুরে রংপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাচন উপলক্ষে বিভাগীয় মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই নির্বাচন কমিশনের প্রতি মানুষের ও ভোটারদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে কাজ করেছি। উপজেলা ভোটে যেহেতু দলীয় প্রতীক নেই, এজন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়বে। ভোটের পরিবেশ ভালো থাকায় ভোটার উপস্থিতিও বাড়বে। সেইসঙ্গে বাড়বে দ্বন্দ্ব। এজন্য প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় ও নিরপেক্ষতা দরকার। দৃঢ় সমন্বয়ের মধ্য দিয়ে প্রশাসনের আন্তরিকতায় একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘কোনো প্রকার ফেক কিংবা উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত সংবাদ প্রচার করা যাবে না, সেই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সব নিয়মের মধ্যে থেকে সংবাদ পরিবেশন করতে হবে।’ বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানান তিনি।

রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘উপজেলা নির্বাচন সকল প্রকার প্রভাবমুক্ত থাকবে। এ ক্ষেত্রে যত শক্তিশালী প্রার্থী হউক না কেন, কেউ নির্বাচনে আইনের বাইরে গেলে সঙ্গে সঙ্গেই যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ছাড় নেই। সেইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ নির্বাচন কমিশনের আইনের বাইরে গেলে তাদেরও কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘খারাপ নির্বাচন হলে গণতন্ত্র বিপন্ন হবে, তা আমরা চাই না। আমরা এ প্রজন্মের মধ্যে ভালো নির্বাচন উপহার দিতে চাই। কোনোভাবে নির্বাচন কলুষিত হয়, এ ধরনের কর্মকান্ড অতীতে মেনে নেওয়া হয়নি ভবিষ্যতেও মেনে নেওয়া হবে না।’

রংপুর বিভাগীয় কমিশনার হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান, রংপুর রেঞ্জ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি পঙ্কজ চন্দ্র রায়, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান, জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসার আব্দুল্লাহ আল মোতাহসিন। এ ছাড়া রংপুর বিভাগের সব জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত