বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখার তথ্যের ওপর ভিত্তি করে রোজা ও ঈদ উদযাপন করে থাকেন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের সাদ্রা দরবার শরিফের অনুসারীরা। গতকাল সৌদিতে চাঁদ দেখার খবর পেয়ে আজ বুধবার (১০ এপ্রিল) ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন চাঁদপুরের অর্ধশত গ্রামের বাসিন্দারা।
বুধবার (১০ এপ্রিল) সকাল ৯টায় হাজীগঞ্জ সাদ্রা দরবার শরীফের মাজার কমপ্লেক্স মাঠে অনুষ্ঠিত হয় ঈদের নামাজ। জামাতে ইমামতি করেন সাদ্রা দরবারের পীর মাওলানা জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপুর, বাসারা, ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুর, মতলব উত্তর উপজেলার দশানী, মোহনপুর, পাঁচানী এবং কচুয়া ও শাহরাস্তি উপজেলার আরও কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা এ ধর্মীয় উৎসবে সামিল হোন।
চাঁদপুরে হাজীগঞ্জের সাদ্রা দরবার শরীফের পীরজাদা পীর ড. বাকী বিল্লাহ মিশকাত চৌধুরী জানান, এখানে রোজা ও ঈদ সৌদি আরবকে অনুসরণ করে হয় না; বরং ‘এক দুনিয়া এক চাঁদ’ নিয়ম অনুসারে বিশ্বের যেকোনো দেশে চাঁদ দেখার বিষয়টি নিশ্চিত হলে আমরা রোজা ও ঈদ উদযাপন করে থাকি।
ড. বাকী বিল্লাহ মিশকাত চৌধুরী জানান, ‘এই নিয়মে বাংলাদেশে চালু করেন মরহুম মাওলানা ইসহাক (রহ.)। ১৯২৮ সাল রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপনের নিয়ম চালু করেন। তারপর থেকে সেই ধারা দেশের বিভিন্ন দরবার শরীফের পীরের অনুসারী এবং সচেতন মুসল্লিরা পালন করছেন।’
