মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে ঈদুল ফিতরের ছুটিতে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) ঈদের দিন ৩ হাজার পর্যটক, পরদিন শুক্রবার ২ হাজার ৫০০ জন ও ঈদের তৃতীয় দিন শনিবার ৩ হাজার ৩০০ জন পর্যটক টিকেট কেটে লাউয়াছড়ায় প্রবেশ করেন। এতে প্রবেশমূল্য বাবদ চার লক্ষাধিক টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে।
শুধু লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানেই নয়, এ উপজেলার মাধবপুর লেক, হামহাম জলপ্রপাতসহ পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের ভিড় লেগেছে। ঈদের দিন ও পরের দুদিন লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে সকাল থেকেই ছিল পর্যটকদের আনাগোনা।
ঈদের দিন সকাল থেকে লাউয়াছড়া উদ্যানে পর্যটকের ঢল নামে। সরেজমিনে দেখা যায়, পর্যটকরা বনের ভেতর প্রবেশ করে ঘোরাফেরা করছেন। অনেকে দল বেঁধে ঘুরছেন, ছবি তুলছেন। টিকিট কাউন্টারের সামনে লম্বা লাইন ধরে টিকিট কেনা চলছে। পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য টুরিস্ট পুলিশ সদস্যরা অবস্থান করছে বনের ভেতরের রেললাইন ও বাইরের ফটক এলাকায়। ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত দেশ-বিদেশি পর্যটকেরা এখানকার জীব-বৈচিত্র্যময় পরিবেশে ঘুরে তাদের ঈদের আনন্দ পরিপূর্ণ করার চেষ্টা করছেন। পরিবার-পরিজন নিয়ে যারা এসেছেন, তারা সঙ্গে ইকো-টুরিস্ট গাইড নিয়ে ঘুরে ঘুরে প্রকৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার চেষ্টা করছিলেন। আর দল বেঁধে বনভোজনে আসা ছেলেমেয়েরা আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠেছিলেন। সড়কের আশপাশে অনেক পর্যটককে গাড়ি থামিয়ে হৈ-হুল্লোড় করতে দেখা যায়।
লাউয়াছড়া সহ-ব্যস্থাপনা কমিটির অফিস সহকারী আফজাল হোসেন শনিবার দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ঈদের তিনদিনে উদ্যানে প্রায় দশ হাজার পর্যটক প্রবেশ করেছেন। এতে রাজস্ব আয় হয়েছে ৪ লাখ ৩৪ হাজার টাকা। আশা করছি ঈদ ও নববর্ষের টানা এ ছুটিতে রেকর্ড পরিমাণ পর্যটকের আগমন হবে কমলগঞ্জে।’
