মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে ঈদুল আজহার ছুটির তৃতীয় দিনে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। শনিবার (৩০ মে) সকাল থেকেই স্থানীয় পর্যটকদের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজারো পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে এই জাতীয় উদ্যানটি।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঈদের তৃতীয় দিন লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে পর্যটকের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো দেখা যায়। ঈদের দিন ও দ্বিতীয় দিন পর্যটক কম থাকলেও শনিবার পর্যটকের পদচারণায় আবারও মুখরিত হয়ে উঠেছে উদ্যানটি। অনেকেই ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পরিবার-পরিজন, বন্ধু বান্ধবী নিয়ে পর্যটকরা ভিড় করছেন লাউয়াছড়ার সবুজ অরণ্যে। বনের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া পাহাড়ি পথ আর উঁচু-নিচু টিলার মাঝে সময় কাটাতে পেরে উচ্ছ্বসিত দর্শনার্থীরা। বিশেষ করে শিশু ও তরুণ-তরুণীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বন বিভাগ ও ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষে থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের টিকেট কালেক্টর অজানা আহমেদ কামরান বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে প্রথম দুদিন পর্যটকের সংখ্যা কম ছিল। শনিবার সকাল থেকে পর্যটকের উপস্থিতি অনেক বেড়েছে। বনের পরিবেশ রক্ষা এবং পর্যটকদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিতে বনকর্মী ও সিপিজি সদস্যরা সার্বক্ষণিক কাজ করছেন।’
লাউয়াছড়ার পাশাপাশি কমলগঞ্জের মাধবপুর লেক, বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান স্মৃতিসৌধ এবং চা বাগানগুলোতেও পর্যটকদের ঢল নেমেছে। বন বিভাগ ও লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানসহ-ব্যবস্থাপনা নির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে পর্যটকদের প্লাস্টিক বর্জন এবং বনের নিরবতা বজায় রাখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ট্যুরিস্ট পুলিশ শ্রীমঙ্গল জোনের উপ পরিদর্শক আশ্রাফুল আলম বলেন, ঈদের ছুটিতে আগত পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি পর্যটন কেন্দ্রে ট্যুরিস্ট পুলিশ দায়িত্বে আছে। যে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রস্তুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।’