মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই পাকিস্তান সফরে যাচ্ছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। আগামী ২২ এপ্রিল তিনি ইসলামাবাদ সফরে যাবেন। নির্দিষ্ট দিনে তার এই সফরের বিষয়ে একমত হয়েছে ইসলামাবাদ ও তেহরান। খবর জিও নিউজের।
পাকিস্তান সফরকালে প্রেসিডেন্ট রাইসির সঙ্গে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল থাকবে। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি ও সামরিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এছাড়া দুই দেশের সহযোগিতা আরও গভীর করার প্রচেষ্টা থাকবে এ সফরে, যা চলতি বছরের শুরুতে সাময়িক হোঁচট খেয়েছে।
সূত্র জানায়, প্রেসিডেন্ট রাইসির আলোচ্যসূচির মধ্যে রয়েছে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, নিরাপত্তা সহযোগিতা, গ্যাস পাইপলাইন এবং সম্ভাব্য মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ)।
গত জানুয়ারিতে পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে জঙ্গি ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর কথা জানায় তেহরান। এরপর ১৭ জানুয়ারি ইরান থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করে নেয় ইসলামাবাদ। পাশাপাশি ঘোষণা দেয়, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তার নিজ দেশে যেতে দেওয়া হবে না।
পর দিন ১৮ জানুয়ারি ইরানের অভ্যন্তরে সন্ত্রাসীদের আস্তানায় হামলা চালায় পাকিস্তান। পাল্টাপাল্টি এ হামলা সাম্প্রতিক বছরগুলোয় সবচেয়ে আলোচিত আন্তঃসীমান্ত হামলা ছিল। যদিও পরবর্তীতে দুই দেশের রাষ্ট্রদূতরা নিজ নিজ পদে ফিরে যাওয়ায় দ্রুত কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপিত হয়।
জাহাজে আটকে পড়া পাকিস্তানিদের মুক্তি দেওয়া হবে
সোমবার পৃথক ঘটনায় ইরান জানিয়েছে, দুই দেশের মধ্যে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের কারণে আইনি আনুষ্ঠানিকতা নিশ্চিত হওয়ার পর ইরানি বাহিনীর হাতে আটক একটি জাহাজে আটকে পড়া পাকিস্তানিদের মুক্তি দেওয়া হবে। পাকিস্তানে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোকাদাম জিও নিউজকে বলেন, তারা জাহাজে পাকিস্তানি নাগরিকদের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন।
ইরানে পাল্টা হামলা: বিরোধে জড়াল ইসরায়েলের যুদ্ধ মন্ত্রিসভা
ইরানের এক রাতের হামলা ঠেকাতে ইসরায়েলের খরচ কত?
‘ইসরায়েল জানে, ইরানের পরবর্তী প্রতিক্রিয়া হবে চূড়ান্ত প্রতিশোধ’