পৃথিবীতে যত রকম দূষণ আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বড় ঘাতক হলো বায়ুদূষণ, যার কারণে বিশ্বের প্রায় ৫০ লাখের বেশি লোক প্রতি বছর মৃত্যুবরণ করেন। গত কয়েক দশকে ইউরোপে বায়ুদূষণ উল্লেখযোগ্য কমলেও সেখানে ২০২১ সালে প্রায় আড়াই লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আর এর ঠিক দুবছর আগে বায়ুদূষণসহ অন্যান্য পরিবেশ দূষণে বাংলাদেশে মারা গেছেন প্রায় পৌনে তিন লাখ মানুষ, বলছে বিশ্বব্যাংকের একটি গবেষণা। তারা বলছে, শুধু বায়ুদূষণের কারণে এ দেশে বছরে প্রায় ১ লাখ ৭১ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করছেন। দূষণ বেশি ক্ষতি করছে দরিদ্র, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও নারীদের। এটি শিশুদের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। সিসার বিষক্রিয়া শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশে অপরিবর্তনীয় ক্ষতি করছে। এর ফলে বছরে প্রাক্কলিত আইকিউ ক্ষতি হচ্ছে প্রায় ২০ মিলিয়ন পয়েন্ট। দূষণের কারণে ২০২১ সালে দেশের মোট দেশজ উৎপাদন ১৭ দশমিক ৬ শতাংশের সমপরিমাণ বা প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছে।
এদিকে গত সপ্তাহে দুবাইয়ে ৭৫ বছরের মধ্যে রেকর্ড পরিমাণ বর্ষণের কারণে সেখানকার জনজীবন অচল হয়ে পড়ে। বিমানসহ সব ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে, হাইওয়েগুলোতে নদীর মতোই পানির স্রোত তৈরি হয় । আর গত কদিনে বাংলাদেশেও তাপমাত্রার রেকর্ড তৈরি হয়েছে, যা এখানকার জনজীবনকে অসহনীয় করে তুলেছে। বিশেষজ্ঞরা এ জন্য দায়ী করছেন জলবায়ুর পরিবর্তনকে, যা কিনা অতিযান্ত্রিক কৃষি ও শিল্প উৎপাদনের কারণে কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, অন্যান্য গ্যাস ও বর্জ্য তৈরির কারণে ঘটছে।
বাংলাদেশের বায়ুদূষণ নিয়ে বিশ্বব্যাংক মোটা দাগে কিছু তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরলেও বায়ুদূষণের কিছু কারিগরি বিষয় তারা বলেনি।
বায়ুদূষণের কারণ
বায়ুদূষণ মানব স্বাস্থ্যের জন্য বিশ্বব্যাপী হুমকি হয়ে উঠেছে কারণ এটি ক্যানসারসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকির তৈরি করে। দেশে নানা ধরনের পেট্রোকেমিক্যাল শিল্প, রাসায়নিক কারখানা, সার কারখানা, ইটের ভাটা, ফাউন্ড্রি এবং বর্জ্য পোড়ানোর কারণে বায়ুদূষণ ঘটছে। শিল্প খাত ছাড়াও নির্দিষ্ট ধরনের বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী কারখানা, গাড়ি, রেলপথ, আকাশ যান থেকেও বায়ুদূষণ হচ্ছে।
এ ছাড়া প্রয়োজনের অতিরিক্ত সার ব্যবহার করলে তা বাতাসে অ্যামোনিয়া ছেড়ে দেয় এবং ফলস্বরূপ পরিবেশকে দূষিত করে। এগুলো ছাড়া, বায়োমাস জ্বালানির ব্যবহার, কৃষিপণ্য পোড়ানো এবং ভেজাল জ্বালানির ব্যবহার বায়ুদূষণের কিছু উৎস। রান্নার জন্য কাঠ এবং কাঠকয়লার ব্যবহার ও কম্পিউটার, প্রিন্টার এবং ফটোকপি মেশিনের ব্যবহার বায়ুদূষণে অবদান রাখে।
দূষণে স্বাস্থ্যের কী ক্ষতি হয়
বায়ুদূষণ হাঁপানি, দীর্ঘস্থায়ী ব্রঙ্কাইটিস, ফুসফুসের তীব্র প্রদাহজনিত রোগ তৈরি করে, যার ফলে ফুসফুসে ঠিকমতো বায়ু পরিবাহিত হতে পারে না। এ ছাড়া হৃদরোগ, বিপাকের সমস্যা, বিভিন্ন প্রজনন ঝুঁকি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া, মস্তিষ্ক কোষের (নিউরনের) অবক্ষয় এবং ক্যানসার হয়ে থাকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ঘরের বাইরের বায়ুদূষণকে ক্যানসারজনিত মৃত্যুর প্রধান পরিবেশগত কারণ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
বায়ুদূষণকারী বিষাক্ত উপাদানের সংস্পর্শে এলে কোষ ক্ষয় হতে পারে। সবচেয়ে চিন্তার বিষয় হলো, বায়ুদূষণ কোষের ডিএনএকে ভঙ্গুর করে কোষ ভাঙার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে পারে। এটি দেহের নানা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের একটি বিশেষ প্রোটিনকে (Cytokine) প্রভাবিত করে টিস্যুতে প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং বিপাক প্রক্রিয়াকেও মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত করে। কোষপতন বা কোষের মৃত্যুর কারণে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন গড়ে ৫ থেকে ৭ হাজার কোটি কোষ হারাতে পারেন! এই প্রক্রিয়ায় একজন ৮ থেকে ১৪ বছর বয়সের কিশোরের প্রতিদিন প্রায় ২-৩ হাজার কোটি কোষ মারা যায়। ফলে দ্রুত ওজন কমে যাওয়া, লিভার, কিডনি, ফুসফস ও অন্ত্রের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে থাকে। বায়ুদূষণ দীর্ঘায়িত হলে নতুন কোষ জন্ম নিতে পারে না এবং এই প্রক্রিয়ায় শরীরের সুপ্ত ক্যানসার কোষের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে। দূষণ যেহেতু শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেয় তাই শরীরের ক্যানসার কোষকে মোকাবিলা করার মতো Immunity শরীরের থাকে না। বায়ুদূষণ যে ডিএনএর নানা প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে সেটিই সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়। কারণ এটি শরীর ও মনের এমন বিরূপ পরিবর্তন আনতে পারে, যা বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের পক্ষে বুঝে ওঠা সম্ভব হয় না। কারণ বায়ুদূষণ শরীরের ডিএনএর নানা কার্যকলাপকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে থাকে। আর এ বিষয়ের গবেষণাকে বলা হয় এপিজেনেটিক্স (Epigenetics) বা জিনের পরিবর্তন । মানুষের শরীরের ওপর বিষক্রিয়ার প্রভাব সরাসরি গবেষণা করা অনেক দেশেই নিষিদ্ধ। তাই যেসব দেশে যেমন বাংলাদেশ যথেষ্ট পরিমাণ বায়ুদূষণ ঘটছে সেখানে এই গবেষণার উর্বর ক্ষেত্র তৈরি হয়।
বায়ুদূষণ আমাদের জিনের টেলোমেয়ার (Telomere)-কে ক্ষয় করে আমাদের অল্প সময়েই বুড়ো বানিয়ে ফেলতে পারে। এখন বাংলাদেশে প্রতি বছর দেড় লাখ মানুষ নতুন করে ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছেন। এর মধ্যে ১ লাখ ৮ হাজারই মৃত্যুবরণ করছেন। বায়ুদূষণ এ জন্য অনেকটাই দায়ী বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
এপিজেনেটিক্স এবং স্বাস্থ্য
এপিজেনেটিক্সের পরিবর্তন নানাভাবে আমাদের স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করতে পারে :
১. সংক্রমণ : যে কোনো জীবাণু শরীরে প্রবেশ করে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে দুর্বল করে জিনের আচরণ পরিবর্তন করতে পারে। এটি জীবাণুকে বাঁচতে সাহায্য করে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, যক্ষ্মার জীবাণু দুর্বল শরীরে যক্ষ্মা রোগ সৃষ্টি করে। এই জীবাণুর সংক্রমণ আমাদের কিছু বিশেষ জিনের কাজ ‘বন্ধ’ করে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেয়।
২. ক্যানসার : বায়ুদূষণ জিনের কিছু Sequence(পরম্পরা) বদলে ফেলে আমাদের ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।
সাধারণ কোষের তুলনায় ক্যানসার কোষে সামগ্রিক ডিএনএ মেথিলেশনের মাত্রা কম। এপিজেনেটিক্স ব্যবহার করে একজন ব্যক্তির কোনো ধরনের ক্যানসার হতে যাচ্ছে তা নির্দেশ করা সহজ হয়।
৩. ফুসফুসের রোগ : বায়ুদূষণের কারণে ডিএনএর পরিবর্তন ফুসফুসের নানা রোগের বিকাশ ত্বরান্বিত করে। দেখা গেছে, ফুসফুসের কার্যকারিতার সঙ্গে রক্তের ডিএনএ মিথিলেশন এবং বাতাসের নাইট্রেজেন ডাই-অক্সাইডের একটি সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনের স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে একটি গবেষণায় বলছে, মোটামুটি ২৮ দিন কালো কার্বন (Black Carbon), কার্বন মনোক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইডের মাঝারি সংস্পর্শে আসলে ফুসফুসের কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। বায়ুদূষণ অটোইমিউন রোগের সঙ্গে যুক্ত বলেও গবেষণায় জানা গেছে।
সাধারণত, ক্ষতি মেরামতের জন্য শরীর ঠিক পরিমাণে টিস্যু তৈরি করে, কিন্তু পেট্রল ও অন্যান্য বায়ুদূষণের কারণে সৃষ্ট একটি বিশেষ ফুসফুসের রোগে (Interstitial Lung Disease) এই মেরামত প্রক্রিয়া ব্যাহত হয় এবং বায়ু থলির (অ্যালভিওলি) চারপাশের টিস্যুর ক্ষত ঘন হয়ে যায়। এটি রক্তে অক্সিজেনের প্রবাহ আরও কঠিন করে তোলে। এই রোগটির কারণে শ্বাসকষ্ট, কাশি, ক্লান্তি এবং ওজন কমতে থাকে, যা বেশ কয়েক মাস ধরে ধীরে ধীরে বিকাশ লাভ করতে থাকে। দুঃখজনক বিষয় হলো, এসব লক্ষণ ঢাকা শহরে অনেক স্থানে দেখা যাচ্ছে। অনেক সময় ডাক্তার এটিকে ঠান্ডাজনিত জ্বর বা অজানা ভাইরাসজনিত রোগ হিসেবে চিহ্নিত করে অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে থাকেন। তাতে এই রোগটির কোনো উপশম হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে।
বায়ুদূষণ ও পার্টিকুলেট ম্যাটার (PM2.5, PM10)
বায়ুদূষণ হলো নানা রকম কণা এবং গ্যাসের একটি জটিল মিশ্রণ, যা বিভিন্ন শিল্প, বাণিজ্যিক এবং স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কার্যকলাপে উৎপন্ন হয়। রাস্তায় গাড়ি চলাচল, আর শিল্প কারখানায় দহনের কারণে নানা ধাতব পদার্থ, জৈব অণু, সালফেট, নাইট্রেট ইত্যাদির সমন্বয়ে সূক্ষ্ম কণা তৈরি হয়। এই কণাগুলো ২.৫ মাইক্রন বা তার কম ব্যাসসম্পন্ন বলে তাদের Particulate Matter PM2.5 নামে আখ্যা দেওয়া হয়। এই সূক্ষ্ম কণাগুলো ১০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে চলে যেতে পারে। সূর্য়ের আলোর সঙ্গে গাড়ির ধোঁয়া ও বর্জ্যরে জ্বালানির হাইড্রোকার্বন মিথস্ক্রিয়া করে অত্যন্ত সংবেদনশীল (ক্ষতিকর অর্থে) ওজোন গ্যাস গঠন করে। আমাদের শহরে ও তার আশপাশে সিটি করপোরেশনের ডাম্পিং গ্রাউন্ডে যে বর্জ্য পোড়ানো হয় তা রাস্তায় চলাচলকারী বাস-ট্রাক-প্রাইভেট কারের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে ওই জটিল ও অত্যন্ত ক্ষতিকর ওজোন-৩ গ্যাসটি উৎপাদিত হয়।
আর অপেক্ষাকৃত মোটা কণা যা বর্জ্য বা কাঠ ইত্যাদি পোড়ানোর মাধ্যমে তৈরি হয় তা PM10 নামে পরিচিত (কারণ এটি ১০ মাইক্রন বা তার চেয়ে বড় হয়)। এগুলোর কোনো কোনোটি আমাদের ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করে প্রদাহ তৈরি করতে পারে।
আমাদের করণীয় : দূষণের প্রভাব কমানোর জন্য সরকারের নানা মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সিটি করপেরেশনের মধ্যে অতি দ্রুত একটি শক্তিশালী আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি করতে হবে । এই কমিটিতে পরিবেশবিদ, পরিবেশ বিষয়ক প্রকৌশলী, এনজিও ও সাধারণ কর্মীকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
১. প্রথমে ঠিক করতে হবে, যেসব দূষণ কণা তৈরি হচ্ছে তার উৎস কী কী? তারপর সিটি করপোরেশন কর্র্তৃক বা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোনো অবস্থাতেই যেন শহরে প্লাস্টিকসহ অন্যান্য বর্জ্য পোড়াতে না পারে সেই ব্যবস্থা নিতে হবে। দূষণের উৎসগুলোতে হস্তক্ষেপ করতে হবে। শহর থেকে লক্কড়-ঝক্কড় গাড়ি বিদায় করতে হবে।
২. পরিবেশ পরিষ্কার ও দূষণমুক্ত রাখতে সিটি করপোরেশনকে আরও বেশি ভূমিকা পালন করতে হবে। মশা মারতে গিয়ে মানুষের স্বাস্থ্য যেন হুমকিতে না পড়ে সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। তারা ডাম্পিং গ্রাউন্ডে প্লাস্টিক ও গৃহস্থালি বর্জ্য পোড়াতে পারবে না।
৩. পরিবেশবিষয়ক সংসদীয় কমিটিকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে। শুধু পরিবেশের ক্ষতির খতিয়ান দিলেই চলবে না। পরিবেশবিষয়ক সংসদীয় কমিটিকে (এবং অন্যান্য কমিটিকে) বিচারিক ক্ষমতা, যা অন্যান্য দেশে আছে, তা দেওয়া যেতে পারে। খাদ্যে ভেজাল, শাকসবজিতে ভেজাল কঠোর হাতে দমন করতে হবে।
৪. ইটভাটাতে কাঠ, কয়লা পোড়ানো বন্ধ করতে হবে। এগুলো যেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবেশ-অসংবেদনশীল বাই-প্রোডাক্ট তৈরি করতে পারে সে ধরনের প্রযুক্তি দিয়ে চালাতে হবে।
৫. নিষিদ্ধ প্লাস্টিক দিয়ে বাজার সয়লাব হয়ে গেছে। আইন থাকা সত্ত্বেও এগুলো বাজারে কীভাবে আছে, তা ক্ষতিয়ে দেখতে হবে এবং অবিলম্বে প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
৬. বোতলজাত পানীতে তথাকথিত সহনীয় মাত্রায় আর্সেনিক, সিসা, ক্যাডমিয়ামের মতো ক্যানসার সৃষ্টিকারী ভারী ধাতব পদার্থ থাকা চলবে না। যাদের স্নায়ুজনিত রোগ আছে, ডায়াবেটিস ও অন্যান্য জটিল রোগ আছে তারা এই সীমিত মাত্রার ভারী ধাতব পদার্থের কারণে অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন।
৭. শহরে দূষণ অতিরিক্ত মাত্রায় বেড়ে যাওয়ার কারণে মানুষজনকে সচেতন করার ক্র্যাশ প্রকল্প নিতে হবে। যারা ইতিমধ্যে দূষণের কারণে অসুস্থ হয়েছেন, তাদের অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং বিটা ক্যারোটিনযুক্ত খাবার সরবরাহ করতে হবে। গর্ভবতী নারী, নবজাতক, শিশু ও প্রবীণ ব্যক্তির স্বাস্থ্যের বিশেষ যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে রাষ্ট্র বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।
লেখক: ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক
