টার্গেট বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নাকি টেন্ডারবাজি

আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৪৬ এএম

দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ছাত্ররাজনীতি চালুর জন্য সক্রিয় হয়েছে ছাত্রলীগ। এরই অংশ হিসেবে বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিমধ্যে সাংগঠনিক কমিটি গঠন করা হয়েছে।  সম্প্রতি এমন একটা খবর প্রকাশিত হয়েছে পত্রিকায়। যদিও ছাত্রলীগ ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে নর্থ সাউথসহ বেশ কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের সাংগঠনিক কমিটি গঠন করে। তবে ওই সময় এর বিরোধিতা করেছিল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তারা আনুষ্ঠানিকভাবেই জানিয়েছিল তাদের ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতির অনুমোদন দেওয়া হবে না। এই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সক্রিয় হওয়ার বিষয়টি এমন একটি সময়ে ঘটছে, যখন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ থাকা নিয়ে হইকোর্ট একটি রায় দিয়েছে। যদিও বুয়েটে রাজনীতি থাকা না-থাকা নিয়ে বিতর্ক চলছে।

বুয়েটের শেরেবাংলা হলের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালের অক্টোবর পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। এরপর শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে এক ‘জরুরি বিজ্ঞপ্তির’ মাধ্যমে ক্যাম্পাসে সাংগঠনিক ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করে বুয়েট কর্তৃপক্ষ। ওই ঘটনায় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের একদল নেতা-কর্মীর সাজা হয়েছে। গত ২৭ মার্চ বুয়েট ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতার প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২৯ মার্চ থেকে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। তারা বুয়েট ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতির বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন। এমন পটভূমিতে ছাত্রলীগের একজন নেতা ওই জরুরি বিজ্ঞপ্তির ওপর একটি রিট আবেদন করেন। রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১ মার্চ বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের সেই ‘জরুরি বিজ্ঞপ্তি’র কার্যক্রম স্থগিত করে উচ্চ আদালত। হাইকোর্টের ওই আদেশের পর রিটকারীর আইনজীবী আদেশের ব্যখ্যায় বলেছেন, আদালত ওই আদেশ স্থগিত করেছে মানে হচ্ছে বুয়েটে রাজনীতিতে বাধা অপসারণ হলো; অর্থাৎ বুয়েটে রাজনীতি করতে আর কোনো বাধা নেই। কিন্তু আসলে কি তাই?

বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিয়ে দুই ধরনের মন্তব্য এসেছে। কেউ বলছে, ১৯৬২ সালের বিধিতে বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করা আছে। আবার কেউ বলছে, বুয়েটে শিক্ষকদের রাজনীতি নিষিদ্ধ আছে কিন্তু ছাত্ররাজনীতি নয়। কেউ কেউ এ-ও বলছে, এ-সম্পর্কে বিধিতে কিছু নেই। অবশ্য বিধির একটি ধারায় বলা আছে, The teachers and employees of the University shall  neither seek nor contest election of any legislature or local body. আবার উইকিপিডিয়ায় আছে, ‘অধ্যাদেশ ১৯৬২ অনুযায়ী, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল সাংগঠনিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।’ মূলত হাইকোর্ট ২০১৯ সালে বুয়েট কতর্ৃৃপক্ষের একটি সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে। ১৯৬২ সালের অধ্যাদেশ স্থগিত বা বাতিল করেনি। ফলে অধ্যাদেশে যদি সাংগঠনিক রাজনীতি নিষিদ্ধের কথা উল্লেখ থাকে, তবে তা এখনো নিষিদ্ধই আছে। কেননা বুয়েট পরিচালিত হয় ১৯৬২ সালের বিধি অনুসারে। আবরার ফাহাদ হত্যাকান্ডের পর বুয়েটের ভিসি জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি করে ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে উত্তপ্ত ক্যাম্পাস শান্ত করার কৌশল নিয়েছিলেন মাত্র। ওই সিদ্ধান্ত হাইকোর্টে স্থগিত হওয়া মানে ক্যাম্পাসে সাংগঠনিক রাজনীতি ফিরে আসার সুযোগ তৈরি হওয়া নয়। কিন্তু আদালতের রায় ঘোষণার পর ছাত্রলীগের নেতারা বুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছেন এবং পরবর্তী করণীয় নিয়ে কথা বলেছেন। যদিও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের প্রস্তুতিও নিচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছে।

প্রথমে যে কথা দিয়ে আলাপ শুরু করেছিলাম ছাত্রলীগ এখন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম বাড়ানো ও পুনর্বিন্যাস করার কথা ভাবছেন। বর্তমানে দেশে ১০৮টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। ইতিমধ্যে ৩৯টিতে ছাত্রলীগের কমিটি দেওয়া হয়েছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটি বা ইউনিটগুলোর তত্ত্বাবধান করার জন্য ২০২২ সালের নভেম্বর থেকে ২৩ সদস্যের সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কমিটিও গঠন করেছিল ছাত্রলীগ। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় কমিটি গঠনসহ রাজনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনাকে ‘স্বাভাবিক প্রক্রিয়া’ হিসেবে তুলে ধরছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।বাংলাদেশে ১৯৯২ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় চালু হলেও এ পর্যন্ত কোনো ক্যাম্পাসেই কোনো ছাত্রসংগঠনের রাজনৈতিক কর্মকান্ড দেখা যায়নি। কারণ এসব বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হয় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের করা ১৯৯২ সালের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন দিয়ে, যা ২০১০ সালে সংস্কার করা হয়। এই আইনে ছাত্ররাজনীতির বিষয়ে সুস্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি। তবে প্রশাসনের বিভিন্ন কমিটি গঠনের কথা বলা আছে।  আইনের ৬ (১০) ধারায় বলা হয়েছে, ‘প্রস্তাবিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় স্বার্থ ও শিক্ষার্থীদের স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর বিবেচিত হইতে পারে এমন কোনো কার্যকলাপে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণ করিবে না বা সন্ত্রাসী বা জঙ্গি তৎপরতা বা এই জাতীয় কোনো কার্যকলাপে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে কোনোভাবেই কোনো পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করিবে না।’

৩৫ (৭) ধারায় বলা হয়েছে, ‘(৭) কোনো কারণে কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অচলাবস্থা দেখা দিলে কিংবা উহার স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত ও শিক্ষার্থীদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা  দেখা দিলে, উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখিবার স্বার্থে, চ্যান্সেলর কমিশন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সুপারিশক্রমে, প্রয়োজনীয় আদেশ ও নির্দেশ দিতে পারিবেন এবং এতদ্বিষয়ে চ্যান্সেলরের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।’

বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ ২০২২ সালে যখন কমিটি করেছিল, তখন এর বিরোধিতা করে একটি চিঠি দিয়েছিল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি (এপিইউবি)। সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যানদের দেওয়া ওই চিঠিতে বলা হয়েছিল,  ট্রাস্টের অধীন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মূলত সেশনজটমুক্ত অলাভজনক ও অরাজনৈতিক উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতি করা যাবে কি না, তা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মে নির্ধারিত হবে। পাশাপাশি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের নোটিস দেওয়ার মাধ্যমে কড়াকড়িভাবে ছাত্ররাজনীতিতে না জড়ানোর বিষয়ে নির্দেশ দেয়। কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের কাছে ই-মেইলের মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মনীতি ভঙ্গ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার কর্তৃপক্ষের রয়েছে। কেউ বলেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোড অব কন্ডাক্টের ব্যত্যয় ঘটলে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে বা বাইরে বিনা অনুমতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগা, নাম ব্যবহার করে কোনো কার্যক্রম বা কর্মসূচি পালন করা যাবে না। কিন্তু সরকারি দলের ছাত্রসংগঠন যখন চাইছে, তখন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তা কতটা ঠেকিয়ে রাখতে পারবে সেটাই প্রশ্ন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সেই বিরোধিতাও নাকচ করে দিয়েছিলেন ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তাদের বক্তব্য ছিল, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি আদায়ের জন্য প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্ররাজনীতি থাকা উচিত। তারা মনে করেন, ছাত্রলীগের রাজনীতির সুযোগ না হলে ‘অপরাজনীতি’ হওয়ার সুযোগ থাকবে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ছাত্রসংগঠনের কর্মকান্ড আগে হয়নি এমন নয়। ২০১৫ সালে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর আরোপ করা ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের সময় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের তৎপরতা দেখা গিয়েছিল। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিষেধাজ্ঞার কারণে সেসময় তারা প্রকাশ্যে আসেনি। এ ছাড়া ২০১৮ সালে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, ২০২০ সালে টিউশন ফি কমানোর দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করেছিল। এসব আন্দোলনের মধ্যে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন তাদের কর্মকান্ড চালিয়েছে, কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো দলের ব্যানারে তাদের কর্মকা- চালাতে দেখা যায়নি।

রাজনীতি করা মানুষের সাংবিধানিক অধিকার। তবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও  ক্যাম্পাসের আয়তনে পার্থক্য রয়েছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হয় বড় পরিসরে। সেখানের রাজনীতির মঞ্চটা বড়। আর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসর ছোট। সেখানে রাজনীতি শুরু হলে শিক্ষার পরিবেশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এ ছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা স্লোগানই আছে, অরাজনীতিকদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এখানে যারা পড়তে আসেন, তাদের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় অনেক বেশি খরচ হয়। নির্ধারিত সময়ে পাস করে বের যাওয়ার তাড়া থাকে তাদের। রাজনৈতি কর্মসূচির কারণে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হলে শিক্ষার্থীদেরই খরচের খাতা লম্বা হবে। যে কারণে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরাও চাইবেন না বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতি সক্রিয় হোক।

বাংলাদেশে ছাত্ররাজনীতির সুদীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পূর্ব পর্যন্ত মেধাবী ছাত্ররা রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন এবং স্বাধীনতাসংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয়, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে ছাত্র নেতারা জড়িয়ে পড়েন আধিপত্যের লড়াইয়ে, টেন্ডারবাজি, নিয়োগ-বাণিজ্যসহ নানা অর্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে। সেখানে শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি আদায়ের বিষয়টি গৌণ হয়ে যায়। এর ধারাবাহিকতায় পাবলিক হোক আর বেসরকারি যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজার-কোটি টাকার টেন্ডারবাজির হিসাব বুঝে নেওয়াই যেন ছাত্ররাজনীতি চালু রাখার নেপথ্যের অন্যতম কারণ হতে পারে।

সুনির্দিষ্ট কোনো জরিপ না থাকলেও পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, স্বাধীনতার পর দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রায় দেড়শ শিক্ষার্থী খুন হয়েছেন রাজনৈতিক কারণে। যেগুলোর একটিরও বিচার হয়নি। বিচার হলেও সাজা হয়নি। হল দখলসহ বিভিন্ন সহিংসতার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাকার্যক্রম ব্যহত হয়েছে। সেশনজটে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। তবে ১৫ বছর ধরে রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে শিক্ষার কার্যক্রম বন্ধের ঘটনা তুলনামূলকভাবে কমেছে। কিন্তু ছাত্ররাজনীতির প্রকৃত উদ্দেশ্য বা আদর্শ এখনো অনুপস্থিত আছে। হয়তো ছাত্রনেতারা নিজেদের আইনের ঊর্ধ্বে ভাবছেন কিংবা অপরাধ করে দলীয় আনুগত্যের কারণে পার পেয়ে যাচ্ছেন বলে আদর্শের ধার ধারছেন না। যেটা ছাত্ররাজনীতির ঐতিহ্যকে ভূলুণ্ঠিত করেছে এবং ছাত্ররাজনীতির প্রয়োজনীয়তাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।

লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক ও সংবাদ বিশ্লেষক

[email protected]

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত