নদী থেকে ছাত্রের লাশ উদ্ধার পরিবারের দাবি হত্যা

আপডেট : ২৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:১৩ এএম

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে পদ্মা নদীর আন্ধারমানিক ট্রলার ঘাট থেকে গতকাল রবিবার সকালে মাদ্রাসাছাত্র মো. নাঈমের (১০) ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। নাঈম সিংগাইর উপজেলার খাসেরচর গ্রামের মৃত এলাহির ছেলে। সে আন্ধারমানিক ইসলামিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার মক্তব বিভাগের প্রথম শ্রেণির ছাত্র ছিল। নিহতের পরিবারের দাবি, নাঈমকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

নাঈমের চাচা মো. ফরিদুর রহমান বলেন, ‘আমার ভাতিজার শরীরে আঘাতের চিহ্ন ও ঘাড় ভাঙা দেখা গেছে। আমার ভাতিজাকে কেউ পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। আমি হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।’

নাঈম নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে মাদ্রাসা থেকে থানায় কোনো জিডি করা বা নাঈমের পরিবারকে জানানো হয়নি বলে তার নানি ও মামা দাবি করেছেন। এ কারণে তার মৃত্যু নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে। জানা গেছে, নাঈম মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার চর বালিরটেক এলাকায় নানাবাড়িতে থেকে মামাদের তত্ত্বাবধানে আন্ধারমানিক ইসলামিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় পড়াশোনা করছিল।

নাঈমের মামা আল আমিন জানান, তিনি তিন দিন আগে নাঈমকে মাদ্রাসায় রেখে গেছেন। মাদ্রাসা শিক্ষকরা নাঈমের নিখোঁজের বিষয়টি তাদের পরিবারকে জানাননি। তার এক আত্মীয় একই মাদ্রাসাছাত্রের মাধ্যমে গতকাল সকাল ১০টার দিকে জানতে পেরে ট্রলার ঘাটে এসে নাঈমের লাশ শনাক্ত করেন।

মাদ্রাসা শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলামের দাবি, নাঈম পদ্মায় গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবার বা থানায় না জানানোটা তাদের ভুল হয়েছে।

হরিরামপুর থানার ওসি শাহ নুর এ আলম বলেন, ‘মাদ্রাসাছাত্র নিখোঁজের বিষয়ে মাদ্রাসা থেকে লিখিত বা মৌখিকভাবে জানানো হয়নি। লাশের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ব্যাপারে মামলা প্রক্রিয়াধীন।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত