মা আমার কাছে একটা জগতের মতো। মা আমাকে অনেক ভালোবাসে, অনেক যত্ন করে তাই আমিও আমার মাকে খুব ভালোবাসি। মাকে নিয়ে আমি অনেকবার ছবি এঁকেছি। মায়ের ছবি আঁকতে আমার খুব ভালো লাগে। মা-ই আমাকে ছবি আঁকা শিখিয়েছে, নাচ শিখিয়েছে, গান শিখিয়েছে। আমার সবকিছুই করে মা। মা আমাকে গল্পের বই পড়তে বলে। অ্যাডভেঞ্চারের বই পড়তে বলে। সায়েন্সের বই বেশি পড়তে বলে।
মা, আমি আর আপু প্রতিদিন রিকশা কিংবা সিএনজিতে মজা করে স্কুলে যাই। ফিরিও রিকশা বা সিএনজিতে। স্কুল থেকে ফেরার সময় মা ঝালমুড়ি, আইসক্রিম কিনে দেয়, সেগুলো খাই। খেতে খেতে বাসায় ফিরি।
দুষ্টুমি করলে মা মাঝে মাঝে বকা দেয়। সব মা-ই বাচ্চাদের বকা দেয়। সারাক্ষণ বলে পড়ো, পড়ো। আমার মা একজন শিক্ষক। ভিকারুননিসা নূন স্কুলে পড়ায়। অনেক পরিশ্রম করে। সারাদিন স্কুলে থাকে। আমার সবসময় মাকে হেল্প করতে চাই। ঘুরতে মন চায়। আমি যখনই মাকে হেল্প করতে চাই তখনই মা শুধু পড়ার কথা বলে। মা বলে, ‘তুমি পড়লেই আমার হেল্প হয়ে যাবে। যাও পড়তে বসো।’
ঈদে আমি যে সালামিগুলো পেয়েছি, সেখান থেকে এবার মা দিবসে আমি মাকে উপহার কিনে দেব। মায়ের জন্য অনেকগুলো কার্ড বানাবো। মায়ের ছবি এঁকে মাকে উপহার দেব। তাতে আমার অনেক আনন্দ হবে।
আমার মায়ের সবচেয়ে বড় গুণ হলো, মা অনেক সুন্দর করে কথা বলে। আমাকে অনেক যতœ করে পড়াশোনা করায়। আমার মা অনেক ট্যালেনটেড মা।
শিক্ষার্থী, পঞ্চম শ্রেণি, ভিকারুননিসা নূন স্কুল, ধানমন্ডি শাখা, ঢাকা
