প্রতীক বরাদ্দের আগেই আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রচার চালানোর অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. আল জাবেরকে কারণ দর্শানোর নোটিস (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। গতকাল শুক্রবার তাকে এ নোটিস দিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আবদুল্লাহ আল মামুন।
আচরণবিধি অনুযায়ী তার প্রার্থিতা বাতিলের বিষয়ে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, জাবেরকে আগামী রবিবার সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সশরীরে হাজির হয়ে এ বিষয়ে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
মো. আল জাবের বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি। তিনিসহ বিজয়নগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ছয়জন চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
কারণ দর্শানোর নোটিস সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনীবিধি ভঙ্গ করে আল জাবের শুক্রবার বিকেল ৪টায় জনসমাবেশ, মিছিল এবং শোডাউন করেছেন। তাকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, নির্বাচন অফিসার এবং ওসি ফোন করে প্রচার কাজ না করার জন্য বলেন। পরে সমাবেশস্থলে সশরীরে পুলিশ উপস্থিত হয়ে প্রচারকাজ বন্ধ করতে বললেও তাৎক্ষণিকভাবে তা বন্ধ করেননি তিনি। উপজেলা পরিষদ (নির্বাচন আচরণ), ২০১৬-এর বিধি ৫-এর পরিপন্থী। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তাকে কারণ দর্শাতে বলা হয়।
রিটার্নিং অফিসার স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, শুক্রবার বিকেলে আল জাবেরের জনসভা, মিছিল, শোডাউন করার ভিডিও ও সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণাদি রয়েছে। এতে করে নির্বাচনী বিধি-নিষেধ উপেক্ষা করেছেন তিনি। এটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন, ২০১৬ বিধিমালার ৫-এর পরিপন্থী।
ওই চিঠিতে আল জাবেরের বিরুদ্ধে উপজেলা পরিষদ (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১৬-এর বিধি ৩৩ অনুযায়ী প্রার্থিতা বাতিলের বিষয়ে কেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা আগামী রবিবার সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তাকে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
