টটেনহাম হটস্পারের নতুন স্টেডিয়ামে এর আগে কখনো ম্যাচ জেতেনি ম্যানচেস্টার সিটি। তাই শুরু থেকেই বাড়তি শঙ্কায় ছিলেন পেপ গার্দিওলা। যার প্রভাব দেখা যায় সিটির খেলাতেও। তবে সব কিছু ছাপিয়ে গতরাতে স্পার্সদের ২-০ গোলের জয় তুলে নিয়েছে দলটি।
সিটি এবং টটেনহামের এই ম্যাচে নজর ছিল আর্সেনালেরও। সিটি পয়েন্ট হারালেই যে দরজা খুলে যায় আর্সেনালের। তবে শেষ পর্যন্ত আর সেটা হতে দেননি আর্লিং হালান্ড। জোড়া গোল করে দলকে এনে দিয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ জয়।
এই জয়ে আর্সেনালকে টপকে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠেছে সিটি। ৩৭ ম্যাচে ২৭ জয় ও সাত ড্রয়ে ৮৮ পয়েন্ট তাদের। সমান ম্যাচে ২ পয়েন্টে পিছিয়ে আর্সেনাল। নিজেদের শেষ ম্যাচে এখন সিটি হারলে কিংবা ড্র করলে শিরোপা জেতার সম্ভাবনা থাকবে গানারদের।
প্রথমার্ধে ছন্নছাড়া সিটিকে দ্বিতীয়ার্ধের সপ্তম মিনিটে গোল এনে দেন হালান্ড। ডি ব্রুইনার গোলমুখে বাড়ানো বল শুধু জায়গামতো পৌঁছে পায়ের টোকায় জালে জড়ান তিনি।
৮০তম মিনিটে দুরূহ কোণ থেকে দেইয়ান কুলুসেভস্কির শট রুখে দেন ওর্টেগা। ছয় মিনিট পর সমতা টানার সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন সন হিউং-মিন। প্রতিপক্ষের ভুলে বল ধরে ডি-বক্সে শট নেন তিনি, কিছুটা এগিয়ে এসে দারুণ নৈপুণ্যে তা ঠেকিয়ে দেন ওর্টেগা।
তবে সনের মিসের পর যোগ করা সময়ে সিটি উল্টো দ্বিতীয় গোলও পেয়ে যায়। জেরেমি ডকুকে পেদ্রো পোরো বক্সের ভেতরে ফেলে দিলে পেনাল্টি পায় সিটি। যা জোরালো শটে কাজে লাগাতে ভুল হয়নি হালান্ডের। ম্যাচের শেষ বাঁশি তাই উল্লাসে মাতায় সিটি সমর্থকদের।
সিটির এই জয়ে কপাল খুলেছে অ্যাস্টন ভিলার। ৪২ বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগ খেলা নিশ্চিত হয়েছে দলটির।
