গাজীপুরের শ্রীপুরে নির্বাচনী প্রচার গাড়ি ধাক্কায় এক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় যষ্ঠ পর্বের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যানের প্রার্থী আবদুল জলিলকে তলবের পর তিনি নির্বাচন কমিশনে গিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। গত শুক্রবার এক নোটিসের মাধ্যমে তাকে উপজেলা নির্বাচন অফিসে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য বলা হলে গতকাল শনিবার সকালে তিনি নির্বাচন অফিসে এসে ব্যাখ্যা দেন। এদিকে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল জলিলের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে আবেদন করা এক ভোটারকেও আসতে অনুরোধ করা হয় নির্বাচন অফিসে।
নির্বাচনী প্রচার গাড়ির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে নির্বাচন কর্মকর্তা অভিযোগ ওঠা চেয়ারম্যান প্রার্থীকে অফিসে তলব করেন।
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আল নোমান স্বাক্ষরিত ওই নোটিসে বলা হয়েছিল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আনারস প্রতীকের প্রার্থী আবদুল জলিল গত ১৫ মে সকাল সাড়ে ১০টায় শ্রীপুরের তেলিহাটি ইউনিয়নের মুলাইদ গ্রামে একাধিক গাড়ি ও মোটরসাইকেল ব্যবহার করে শোডাউন করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগে দাবি করা হয়, এ শোডাউন করার সময় তাদের প্রচারণার গাড়ির নিচে চাপা পড়ে ইয়াসিন নামের চার বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়। চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল জলিলের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে সকালে উপজেলা নির্বাচন অফিসে সশরীরে উপস্থিত হন। এ সময় প্রার্থীর মেয়েও নির্বাচন অফিসে আসেন। তাকেও তলব করা হয়েছিল। নির্বাচন কর্মকর্তা আল নোমান বলেন, দুপক্ষের ব্যাখ্যা শুনেছি। এ ব্যাপারে যা প্রয়োজনীয় আইনগত সে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
