জাতীয় লিগে যুক্ত হচ্ছে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট

আপডেট : ২১ মে ২০২৪, ০৬:২৭ পিএম

বিপিএলের বাইরে বাংলাদেশের কোনো টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট নেই। অনেকেই দাবি করেন, এ জন্যই এই সংস্করণে উন্নতি হচ্ছে না টাইগারদের। দীর্ঘদিন ধরেই তাই স্থানীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে আলাদা একটি কুড়ি ওভারের প্রতিযোগিতা আয়োজনের দাবি জানিয়ে আসছিলেন ক্রিকেটাররা। বিসিবির ভাবনায় ছিল সেটা। অবশেষে আলোর মুখ দেখতে চলেছে তা।

বিসিবির টুর্নামেন্ট কমিটির এক বৈঠক শেষে আজ এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সেখানে উপস্থিত সবাই সম্মতি দিয়েছেন। এখন বোর্ডের সভায় অনুমোদন পেলেই মাঠে গড়াবে টুর্নামেন্টটি।

বিসিবির প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মিনহাজুল আবেদীন নান্নু এই তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আজকের সভায় অনেকগুলো বিষয় নিয়েই আলোচনা হয়েছে। তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ছিল জাতীয় লিগের ৮ দলকে নিয়ে একটি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আয়োজন করার। সভায় উপস্থিত সকলেই একমত হয়েছেন বিষয়টি নিয়ে। এখন অপেক্ষা শুধুই বোর্ডের অনুমোদনের।’

চার দিনের ম্যাচের টুর্নামেন্ট জাতীয় লিগ এবার শুরু হবে ১৫ অক্টোবর থেকে। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে প্রতিযোগিতাটি। তারপরই আয়োজিত হবে স্থানীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট। সেখানেও জাতীয় লিগের ৮ দলেরই অংশগ্রহণ থাকবে। আগের মতোই নির্বাচক প্যানেলই খেলোয়াড় বাছাই করবেন বলেই জানান মিনহাজুল আবেদীন।   

এই টুর্নামেন্টের সূচি বের করতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে আয়োজকদের। এজন্য ভেঙে দেওয়া হয়েছে জাতীয় লিগের দ্বিস্তর কাঠামো। এখন টুর্নামেন্ট হবে লিগ পদ্ধতিতে। একই সঙ্গে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের সময়।

বিস্তারিত জানিয়ে বলেন, 'অনেকদিন ধরে কিন্তু চিন্তা করা হচ্ছিল, স্থানীয় ক্রিকেটারদের জন্য একটা টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট করা যায় কি না। যেহেতু বিপিএল একটা হয় ফ্র‍্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট। এখানে বিদেশি ক্রিকেটাররা থাকে। তাই স্থানীয় ক্রিকেটারদের জন্য একটা টুর্নামেন্ট জরুরি ছিল।

এবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এনসিএলের ৮টি দল নিয়েই ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে একটি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট হবে। এখানে ১২৮ থেকে ১৩০ জন ক্রিকেটার সুযোগ পাবে এবং এই সংস্করণে যে ঘাটতিগুলো আছে তা পূরণের মাধ্যমে বাংলাদেশ ক্রিকেট উপকৃত হবে।'

মিনহাজুল বলছিলেন, 'এবার বিসিএলটা এপ্রিলের শেষ দিক ও মে মাসে অনুষ্ঠিত হবে। এটা গরমে খেলার একমাত্র কারণ এখন আমাদের অনেকগুলো টেস্ট ম্যাচ গরমে খেলতে হয়। সেই কথা চিন্তা করেই যেহেতু এনসিএলটা একটা ভালো সময়ে হয় অক্টোবরের শেষ থেকে ডিসেম্বরের মধ্য। তাই এপ্রিল-মে মাসে একটু গরমের মধ্যে বিসিএলটা হবে। এসব সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের ক্রিকেটকে উপকৃত করবে আমরা সবাই বিশ্বাস করি। আমাদের দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটকে এগিয়ে নেবে। আমাদের জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা যেন বেশিসংখ্যক ম্যাচ খেলতে পারে সেটিও চিন্তাভাবনা করা হয়েছে।'

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত