টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইয়ের এডিসহ বিভিন্ন (সহকারী পরিচালক) পরিচয়ে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক প্রতারককে পুলিশে দিয়েছে ভুক্তভোগীরা।
গতকাল সোমবার সন্ধায় ৯৯৯-এ কল পেয়ে উপজেলার দেওড়া গ্রাম থেকে তাকে আট করেছে মির্জাপুর থানা পুলিশ। প্রতারক হারুন অর রশিদ ভাতগ্রাম ইউনিয়নের চুহাত্তর গ্রামের বদর উদ্দিনের ছেলে।
জানা যায়, হারুন অর রশিদ দেড় বছর আগে চাকরি ছেড়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রতারণার জাল ফেলেন। তিনি নিজেকে এনএসআইয়ের এডিসহ (সহকারী পরিচালক) বিভিন্ন পরিচয় দেন। বিভিন্ন পরিচয় দিয়ে গ্রামের মানুষের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন। পরে স্থানীয় যুবকদের চাকরি দেওয়ার কথা বলে অন্তত ২৫ জনের কাছ থেকে ২ থেকে ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেন তিনি। এরপর ঘুগী গ্রামের মনির নামের এক ব্যক্তি জানান, তার কাছ থেকে স্বর্ণের ব্যবসার কথা বলে ৭০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। এ ছাড়া পৌর এলাকার বাওয়ার কুমারজানী গ্রামের লুবনা আক্তারের কাছ থেকে ১২ লাখ, জামুর্কী গ্রামের মাহাফুজের কাছ থেকে ১২ লাখ, যোগীরকোফা গ্রামের জাকির হোসেনের কাছ থেকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং ঘুগী গ্রামের জুলমতের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা নেন চাকরির কথা বলে।
গত রবিবার (১৯ মে) রাতে দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটিতে হারুন অর রশিদ তার বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে যান। খবর পেয়ে কয়েকজন পাওনাদার ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে মির্জাপুর উপজেলার দেওরা গ্রামে নিয়ে আসে। সোমবার সকালে তিনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পাওনাদাররা তাকে গাছের সাথে বেঁধে রাখেন। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে কেউই আসেনি। পরে পাওনাদাররা ৯৯৯-এ ফোন করে হারুনকে পুলিশে সোপর্দ করেন।
মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাম কৃষ্ণ দাস জানান, প্রতারণার দায়ে হারুন অর রশিদকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
মরুভূমিতে উত্তাপ ছড়ানো নিয়ে মুখ খুললেন অধরা
এক অক্লান্ত প্রেসিডেন্টের বিদায়