বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে অভাবনীয় ঘটনার জন্ম দিয়েছিল মোহামেডানের ব্যাটাররা। নারী ডিপিএলের ম্যাচে গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের বিপক্ষে তারা পায় ২৫১ রানের বিশাল এক জয়।
কাশ্মিরী কন্যা জাসিয়া আখতারের ঝড়ো ফিফটির পর মুরশিদা খাতুন ও সোবহানা মোস্তারির জোড়া সেঞ্চুরিতে ৩ উইকেটে ৩৯২ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল মোহামেডান। নারী ডিপিএল ইতিহাসে এটিই সর্বোচ্চ দলীয় রানের রেকর্ড। কেরানীগঞ্জ ক্রিকেটে একাডেমির বিপক্ষে বিকেএসপির ৩২১ রান ছিল আগের সর্বোচ্চ।
ইনিংস উদ্বোধন করতে নেমে আউটই হননি মুরশিদা। ক্যারি করা ইনিংস শেষে অপরাজিত ছিলেন ১৫৭ বলে ১৭৯ রানে। পুরো ইনিংসে ২টি ছক্কার সঙ্গে ২৩টি চার মেরেছেন। নারী ডিপিএলে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংসের রেকর্ড এটি। অন্যদিকে সোবহানা আউট হন ১০১ বলে ১২৮ রান করে। ৬টি চারের সঙ্গে ৭টি ছক্কা হাঁকান তিনি। এর আগে জাসিয়া আখতার ৪১ বলে ৭৫ রানের ইনিংসে বিস্ফোরক শুরু এনে দেন মোহামেডানকে। গুলশানের হয়ে ফারিয়া আক্তার ৬৬ রান খরচায় একাই শিকার করেন তিন উইকেট।
সেই রান তাড়ায় নেমে ১৪১ রানেই গুটিয়ে যায় গুলশান। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ ৩২ রান করেন সান্ধিয়া ইসলাম আশা। ২৯ রান করেন সুরাইয়া আজমিন।
মোহামেডানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট শিকার করেন রুমানা আহমেদ। সেখানেও গড়েন এক রেকর্ড। ১০ ওভার বল ঘুরিয়ে ৬ মেইডেনসহ খরচ করেন মাত্র ৯ রান। এছাড়া অধিনায়ক সালমা খাতুন, ফারিহা তৃষ্ণা ও সাবেকুন নাহার নেন দুটি করে উইকেট। একটি উইকেট লাভ করেন ফাতেমা জাহান সোনিয়া।
এদিকে বিকেএসপির ৪ নম্বর মাঠে সিটি ক্লাবকে ১০ উইকেটে হারিয়েছে গতবারের চ্যাম্পিয়ন রূপালি ব্যাংক ক্রীড়া পরিষদ। টস জিতে ব্যাট করতে নামে সিটি। রূপালির ভারতীয় মিডিয়াম পেসার মুক্তা ম্যাগ্রে একাই ধসিয়ে দেন সিটিকে। ৯.৪ ওভার বল ঘুরিয়ে ৩ মেইডেনসহ মাত্র ১৬ রান খরচায় শিকার করেন ৪ উইকেট। এছাড়া রাবেয়া খানের ঝুলিতে যায় দুটি। একটি করে উইকেট নেন দীপা, জান্নাতুল সুমনা, লতা মন্ডল ও ইশমা তানজিম।
তাদের বোলিংয়ে অসহায় আত্মসমর্পণ করে ১১৬ রানেই থেমে যায় সিটি। সেই রান কোনো উইকেট না হারিয়ে ১৬.৩ ওভারেই টপকে যায় রূপালি। ইশমা তানজিম ৫৪ বলে ৬৭ রান করেন। তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ৭ চার ও ৩ ছক্কায়। এছাড়া ৬ চার ১ ছক্কায় ৪৫ বলে ৫১ রান করেন ফারজানা হক পিংকি।
