সংযুক্ত আরব আমিরাত ফুটবলের জন্য ঐতিহাসিক রাত। যা মধুময় করে তুলেছিল আল আইন। এশিয়ান চ্যালেঞ্জ লিগের ফাইনালে জাপানী ক্লাব ইয়োকাহামাকে ৫-১ গোলে হারিয়েছে তারা। দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৩ গোলে এগিয়ে থাকায় শিরোপা নিশ্চিত করেছে আরবের ক্লাবটি।
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে এক ফাইনালেই শিরোপার নিষ্পত্তি হলেও এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল দুই লেগের। ফাইনালিস্ট দুই দল একে অন্যের মাঠে একবার করে মুখোমুখি হয়। এশিয়া মহাদেশের ক্লাব শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে এবার খেলছে জাপানের ইয়োকোহামা ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল আইন।
গত ১১ মে ফাইনালের প্রথম লেগে ঘরের মাঠ নিসান স্টেডিয়ামে আল আইনকে ২-১ গোলে হারিয়েছে ইয়োকোহামা। আর কাল রাতে আল আইনের ঘরের মাঠ আবুধাবির হাজ্জাজ বিন জায়েদ স্টেডিয়ামে তারা হেরেছে ৫-১ গোলে। ড্র করলেই প্রথমবারের মতো এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট উঠত ইয়োকাহামার মাথায়। তবে সেটা ছিনিয়ে নিয়েছে আল আইন।
তেল সমৃদ্ধ আরবের দেশ আরব আমিরাতের ক্লাবটি ২০০৩ সালে সবশেষ এশিয়ার সেরা হয়েছিল। ১০ জনের ইয়োকাহামাকে পেয়ে ২১ বছর পর শিরোপা ঘরে তুললো তারা।
এদিন শুরু থেকেই আক্রমণে ছিল আইন। খেলার ৮ মিনিটের মাথায় গোল পেয়ে যান সুফিয়ান রাহিমি। ৩৩ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আলেজান্দ্রো রুমেরো। যদিও সেটা পেনাল্টি থেকে। তবে ৪০ মিনিটে ইয়োকাহামার ইয়ান ম্যাথিউস গোল করে ব্যবধান কমান। কিন্তু প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের ১০ মিনিটে লাল কার্ড দেখে জাপানের ক্লাবকে বিপদে ফেলে যান উইলিয়াম পপ।
১০ জনের ক্লাবটিকে পেয়ে জ্বলে উঠতে চেয়েছিল আইন। সেটা আঁচ করতে পেরেই আক্রমণের চেয়ে রক্ষণের দিকে ঝুঁক বাড়ায় ইয়োকাহামা। তাতেও খুব একটা লাভ হয়নি। ৬৭ মিনিটে ফের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ইয়ান ম্যাথিউস। শেষবেলায় গিয়ে আরও দুটি গোল হজম করে ইয়োকাহামা। কুদজো-ফো-দো লাবা গোল দুটি করলে ৫-১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত হয় আল আইনের।
