সোনালি চাল বিতর্ক

আপডেট : ২৮ মে ২০২৪, ১০:০৬ এএম

গত ৬ মে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বেলা ও উবিনীগসহ পাঁচটি বেসরকারি পরিবেশ ও কৃষি সংগঠনের উদ্যোগে দেশে জিএম শস্য গোল্ডেন রাইস ও বিটি বেগুন প্রবর্তন নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বক্তারা দাবি করেন যে, জিএম (Genetically Modified) ফসল হিসেবে এই শস্যের স্বাস্থ্য ও পরিবেশসংক্রান্ত ঝুঁকি রয়েছে। এই চাল যে ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ, সেটা নিতান্তই অনুমান নির্ভর। তাছাড়া, দেশে এই গুণাগুণযুক্ত ধান বা চালের আদৌ কোনো প্রয়োজনীয়তা আছে কি না, সে প্রশ্নের উত্তর এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। কারণ, এদেশের আনাচে-কানাচে প্রাপ্ত লতাপাতা, সস্তা শাক-সবজি ও ফলমূলে প্রচুর ভিটামিন-এ বিদ্যমান। সেদিকে দৃষ্টি না দিয়ে অহেতুক বিআর-২৯ এর মতো একটা জনপ্রিয় জাতের ধানে ভুট্টার জিন ঢুকিয়ে সেটাকে ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ বলা হচ্ছে। এ চাল বিশ্বের কোথাও অনুমোদন পায়নি, ফিলিপাইনের আদালতে এ চাল নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছে। অথচ এদেশে এই ধান চাষের  অনুমোদন দেওয়ার তৎপরতা চলছে। তাদের দাবি এটা করা হলে সেটা হবে কৃষকদের একটি জাতের বীজের অধিকার থেকে বঞ্চিত করে সেটাকে একটা কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়ার শামিল; বাংলাদেশকে পরিণত করা হবে পরীক্ষাগারে।

বিশ্বব্যাপী জিএম বা ট্রান্সজেনিক শস্যবিরোধী গোষ্ঠীর তৎপরতা প্রায় এর সূচনা থেকেই। মাঝে মধ্যে তাদের সহিংস হতেও দেখা যায়। ২০১১ সালে বেসরকারি পরিবেশ সংগঠন গ্রিনপিসের একদল সক্রিয় কর্মী অস্ট্রেলিয়ার Commonwealth Scientific and Industrial Research Organization (CSIRO) পরিচালিত জিএম গমের একটা পরীক্ষণ প্লটে আক্রমণ চালিয়ে সবকিছু ধ্বংস করে ফেলে। আবার ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান (IRRI) এর সহযোগিতায় ফিলিপাইন সরকার পরিচালিত জিএম শস্য গোল্ডেন রাইসের গবেষণা প্লট আক্রমণের শিকার হয়। সে বিবেচনায় আমাদের দেশে এই খাদ্যশস্যের বিরুদ্ধে যে প্রতিবাদ হচ্ছে, তাকে নির্দোষই বলা চলে। 

গোল্ডেন রাইস বা সোনালি চাল হলো জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে উদ্ভাবিত এক ধরনের পুষ্টিচাল, যাতে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন। প্রোভিটামিন-এ হিসেবে চিহ্নিত এই উদ্ভিদ রঞ্জকটি ভোগের পর শরীর প্রয়োজন অনুযায়ী তাকে ভিটামিন এ-তে রূপান্তর করে। এই যৌগটি শস্যটিকে হলুদ-কমলা বা সোনালি রঙ দান করায় এর নাম হয়েছে সোনালি চাল। যেহেতু এশিয়ার অনেক ভিটামিন-এ ঘাটতি অঞ্চলের মানুষের প্রধান খাদ্য চাল, সেহেতু এই জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই চাল জনপ্রিয় করা গেলে তাদের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে এটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন কতে পারে। এই বিশ্বাস থেকেই এই চালের উদ্ভাবন ও মানোন্নয়ন নিয়ে গবেষণা শুরু হয়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বিআর-২৯ জাতের ধানের সঙ্গে ভুট্টার জিন মিলিয়ে এই ধান উদ্ভাবন করা হয়েছে। আর আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (IRRI) তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান (BRRI) এই কাজটি সম্পন্ন করেছে। এই ধানের পেটেন্টের অধিকারী হলো বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান সেঞ্জেন্টা।

জীবজগতে প্রাকৃতিক নিয়ম ও উপায়ে জিনের বংশগতির পরিবর্তন স্মরণাতীত কাল থেকে চলে আসছে। তবে সে পরিবর্তনটা ঘটে অপেক্ষাকৃত ধীরগতিতে; আবার সেটা সব সময় কাম্যতার পর্যায়ে থাকে না। ১৯৪৩ সালে প্রথম বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন যে, বিভিন্ন প্রজাতির জীব ও উদ্ভিদের জিনগত উপাদান পরিবর্তনের মাধ্যমে তাদের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। এরপর থেকে ডিএনএ পুনঃসংযোজন প্রযুক্তির মাধ্যমে তারা প্রয়োজন মাফিক জীব ও উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করে আসছে। আজ আমরা যে সব উদ্ভিজ ও প্রাণিজ সম্পদ ভোগ করি, সে সবের অনেকগুলোই এই ভাবে জিন পরিবর্তনের মাধ্যমে উৎপাদিত; এভাবে উৎপাদন করা সম্ভব না হলে অনেক কিছুই আমাদের নাগালের বাইরে চলে যেত। তাহলে স্বাভাবিক প্রশ্ন- এর বিরুদ্ধে এত অভিযোগ ও উৎকণ্ঠা কেন?

জিএম বা ট্রান্সজেনিক শস্যের উপকারিতা ও অপকারিতা আলোচনা করলে এটার গ্রহণযোগ্যতা ও বাতিলযোগ্যতা সম্পর্কে ধারণা জন্মাতে পারে। প্রথমে উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করা যেতে পারে। প্রথমেই বিবেচনা করা যাক বিশ্বের জনসংখ্যা নিয়ে। ধারণা যে, ২০৫০ সালে বিশ্বে জনসংখ্যা দাঁড়াবে ৯৭০ কোটি, যার বড় অংশের বাসস্থল হবে স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো। পুষ্টির কথা বাদ দিলেও সনাতন পদ্ধতির চাষবাস দিয়ে এই বিপুল জনসংখ্যার জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসহ অন্যান্য মৌলিক চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। এই মুহূর্তে বিশ্বে একশ কোটির কাছাকাছি মানুষ খাদ্যাভাবে রয়েছে। আবাদযোগ্য ভূমির পরিমাণ দ্রুত কমছে, বর্তমানে বিশ্বে চাষযোগ্য ভূমির পরিমাণ মাথাপিছু ০.২৪২ হেক্টর, ২০৫০ সালে এটা কমে দাঁড়াবে ০.১৮০ হেক্টরে। এই পটভূমিতে বৈপ্লবিক ফলন বৃদ্ধির মাধ্যমে জিএম শস্য বাঞ্ছিত সমাধান নিয়ে হাজির হয়েছে।

ফলন বাড়ায় এ ফসল অবহেলিত কৃষককুলের আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। এ প্রক্রিয়ায় ফসলকে লবণাক্ততা, খরা, তাপ, শীত, কীটপতঙ্গ, আগাছা ও উদ্ভিদনাশক সহিষ্ণু হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ থাকায় চাষে ক্ষয়ক্ষতি কমে যায়, সম্প্রসারণ সম্ভব হয়, খরচ কম হয়; শ্রমও কম দিতে হয়। ফসলের রাসায়নিক গঠনের মধ্যে প্রয়োজনীয় উপাদানের অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে জনপদের অণুপুষ্টির চাহিদা পূরণ করা যায়। ফিলিপাইন যে ২০২১ সালে ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ গোল্ডেন রাইস মালুসোগের অনুমোদন দেয়, তাতে পরবর্তী সময়ে জিঙ্ক ও আয়রন অনুপ্রবেশ করানোর পরিকল্পনা ছিল। আমাদের এখানেও প্রয়োজন মাফিক এই চালে আরও অণুপুষ্টির সন্নিবেশ ঘটানো সম্ভব। তাছাড়া, ফসল যাতে ঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত করা যায় ও দ্রুত পেকে নষ্ট হয়ে না যায়, তার জন্য প্রয়োজনীয় বৈশিষ্ট্য প্রবর্তন করা যায়। আবার ট্রান্সজেনিক ফুডে রুচিকর সুগন্ধ যেমন যুক্ত করা যায়, তেমনি এটাকে খাবার ভ্যাকসিন ও অ্যান্টিবডি হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।

জিএম বা ট্রান্সজেনিক শস্য নিয়ে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো এটা ধরণী মাতার প্রকৃতিবিরোধী। প্রকৃতির স্বাভাবিক পথপরিক্রমায় হস্তক্ষেপ করা হলে তার বিকৃত বিকাশ অনিবার্য। ফলে পরিণামে সবাইকে ভুক্তভোগী হতে হবে। এই বিশ্বাস থেকেই জিএম শস্যবিরোধী প্রচারণা শুরু। এই মতবাদের সমর্থকরা মনে করেন যে, জিএম শস্য বিষক্রিয়াযুক্ত। যা স্বল্প মেয়াদে না হলেও দীর্ঘ মেয়াদে মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনবে। যেমন বাংলাদেশি প্রতিবাদকারীরা দাবি করছেন যে, দেশে কীটনাশক ও মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারের কারণে এখন প্রতি বছর ২ থেকে ৩ লাখ মানুষ ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছে। ক্যানসার হলো নির্দিষ্ট জীবকোষের অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি। জিএম শস্য যেহেতু কোষের অভ্যন্তরে অবস্থিত জিন অদলবদলের মাধ্যমে উৎপাদিত হয়, সেহেতু এই প্রক্রিয়াজাত শস্য ভোক্তার কোষকেও বিগড়ে দেওয়ার ক্ষেত্র সহজেই তৈরি করে দিতে পারে। তাছাড়া, এটা নানা রকমের জিনগত ঝুঁকি ও অ্যালার্জি সৃষ্টি করতে পারে।

পরিবেশগত ভারসাম্যের ক্ষেত্রেও এই ফসল দ্বারা নানা ধরনের ঝুঁকির শঙ্কা রয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় অনেক ফসল পতঙ্গ ও উদ্ভিদনাশক সহিষ্ণু করে গড়ে তোলা হয়, যাতে স্বল্প খরচে চাষ করা সম্ভব হয়। আগাছা নির্মূলের জন্য উদ্ভিদনাশক ব্যবহার করার ফলে এই শস্যগাছের কোনো ক্ষতি না হলেও অনেক উপকারী উদ্ভিদ ও কীটপতঙ্গ নির্মূল হয়ে যায়। দীর্ঘ মেয়াদে এর প্রতিক্রিয়া পরিবেশ ও প্রতিবেশে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাছাড়া, খাদ্যের খোঁজে জিএম শস্যের ক্ষেতখামার থেকে কীটপতঙ্গ অন্যান্য এলাকায় অভিবাসন করতে পারে। তাতে শস্য উৎপাদন শৃঙ্খলে মারাত্মক ভাঙন সৃষ্টি হতে পারে। পরীক্ষাগারে জিএম ফসল উৎপাদনে জিন পরিবর্তন প্রক্রিয়ায় প্রায়শই অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। ফলে এই ফসল-ভোগীদের মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিক সহিষ্ণুতা সৃষ্টি হতে পারে, যেটা ফলপ্রসূ চিকিৎসার জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করতে পারে।

এ কথা ঠিক যে, ফিলিপাইন সরকার তাদের গোল্ডেন রাইস মালুসোগ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদনের অনুমোদন দিলেও ১৭ এপ্রিল, ২০২৪ তারিখে আদালত সেটা রদ করে দেয়। এই আদেশ প্রদানকালে আদালত মন্তব্য করে যে, এই চালের নিরাপত্তার ওপর বৈজ্ঞানিক মতৈক্যের অনুপস্থিতিতে তার বাণিজ্যিক চাষাবাদের অনুমোদন প্রদান সমীচীন নয়। তবে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, কানাডা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এ চালের বাণিজ্যিক উৎপাদন অনুমোদিত। বাংলাদেশে এই সোনালি চালের পরিবেশগত ও খাদ্য নিরাপদতা মূল্যায়নের জন্য ২০১৭ সালে কৃষি মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। এটা এখন বায়ো-সেফটি কোর কমিটির বিবেচনাধীন রয়েছে।

এখন পর্যন্ত জিএম শস্যের যে সব দুর্বলতা চিহ্নিত করা হয়েছে, সেগুলো শুধুমাত্র আশঙ্কার পর্যায়ে; বাস্তব ক্ষেত্রে এসব হুমকির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। উল্টো দিকে জিন পুনঃসংযোজন প্রযুক্তির দৃশ্যমান সুবিধা ব্যাপক ও বিস্তৃত; জরুরি চাহিদা পূরণে এটার জুড়ি মেলা ভার। এ প্রযুক্তির সুবিধা ও অসুবিধাগুলো তুলনা করলে দেখা যাবে যে, অসুবিধার চেয়ে সুবিধার মাত্রা ও পরিধি অনেক বেশি। এই প্রেক্ষাপটে সীমিত সম্পদের উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জরুরি চাহিদা অপূর্ণ রেখে জিএম শস্যের অপ্রমাণিত হুমকির ভয়ে তার প্রাচুর্যকে উপেক্ষা করা প্রায় অসম্ভব।

ভিটামিন-এ এর অভাব বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর, বিশেষ করে আফ্রিকা ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার একটা বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা। অল্প বয়সী শিশু ও গর্ভবতী মহিলারা এর প্রধান শিকার। এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়, গুরুতর পর্যায়ে পৌঁছালে কর্নিয়া ও রেটিনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অন্ধত্ব অনিবার্য। তাছাড়া, ভিটামিন-এ দেহের কোষ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ত্বক সতেজ রাখে, টিউমার ও ক্যানসারের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে, কোষ, দাঁত ও অস্থি গঠনে ভূমিকা রাখে। ভিটামিন-এ এর অভাবে প্রতিটা ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হয়। 

বর্তমানে বাংলাদেশের খাদ্য ও পুষ্টির যে অবস্থা বিরাজমান। এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, ক্ষুধার হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমলেও অপুষ্টির মাত্রা এখনো ব্যাপক ও বিস্তৃত। এটা লুক্কায়িত ক্ষুধা নামে পরিচিত। এটা যে শুধু নিম্নবিত্তদের মধ্যে সীমাবদ্ধ তা নয়; পুষ্টি জ্ঞানের অভাব ও খাদ্য গ্রহণ চর্চার কারণে অনেক বিত্তশালী পরিবারেও অপুষ্টির উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। এই সর্বব্যাপী অপুষ্টি মোকাবিলায় দেশের প্রধান খাদ্যশস্য চালে পরবর্তী সময়ে আরও অণুপুষ্টি ঢুকিয়ে দেওয়াটি একটি ফলপ্রসূ পদক্ষেপ হতে পারে। কারণ, এখনো দেশে এই খাদ্যশস্যই মানুষের খাদ্যশক্তির গড়পড়তা ৫২ শতাংশের জোগান দিয়ে আসছে। সীমিত আয়ের মানুষের মধ্যে এর হার আরও বেশি। এই প্রেক্ষাপটেই গোল্ডেন রাইস মূল্যায়ন করতে হবে। দেশে সেচের মাধ্যমে যে ধান চাষ করা হয়, তাতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গত হয়। সেই জন্য তো আর দেশে ধান চাষ বন্ধ করা যাবে না। গোল্ডেন রাইসের বাণিজ্যিক চাষ অনুমোদনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষ এই বিষয়টি বিবেচনায় নেবেন বলে আমাদের বিশ্বাস।

লেখক: খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ও কলামিস্ট

[email protected]

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত