ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে জলাবদ্ধ নারায়ণগঞ্জ

আপডেট : ২৮ মে ২০২৪, ০৫:৩০ পিএম

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে জলাবদ্ধ নগরীতে পরিণত হয়েছে নারায়ণগঞ্জ। সোমবার ভোররাত থেকে ঝড়ো হাওয়াসহ প্রবল বৃষ্টির কারণে শহর ও শহরতলীর সকল রাস্তা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় নগরবাসীকে।

আজ মঙ্গলবার নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে সাধারণ মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ঘর থেকে বাইরে বের হয়ে অন্তহীন দুর্ভোগের শিকার হন। সকাল থেকে সড়কে গাড়ির সংখ্যা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গণপরিবহণ আগের রূপে ফিরে আসে।

অবিরাম বৃষ্টিতে নগরীর চাষাঢ়া, কলেজ রোড, জামতলা, মাসদাইর, গলাচিপা, ভূঁইয়ারবাগ, দেওভোগ দাতা সড়ক, দেওভোগ পানির টাংকি, নন্দীপাড়া, উকিলপাড়া, আমলাপাড়া, কালির বাজার, দেওভোগ পাক্কা রোড, খানপুর, মিশনপাড়া, বউ বাজার, গোয়ালপাড়াসহ নিচু এলাকা জলাবদ্ধ হয়ে পড়ে। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধু সড়কের বিভিন্ন জায়গা ও প্রেস ক্লাবের সাথে ভাষা সৈনিক সড়কে জলাবদ্ধতা চরম আকার ধারণ করে। বৃষ্টির কারণে অনেক সড়ক অচলও হয়ে পড়ে। এসব জলাবদ্ধতার সঙ্গে ময়লা আবর্জনার স্তূপ জমে যায়।

শহরের ডিআইটি এলাকার ফয়েজ উদ্দীন লাভলু বলেন, কয়েক দশকেও এমন ঝড় দেখেনি নারায়ণগঞ্জবাসী। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে অনেক। অবিরাম বৃষ্টির ফলে জলাবদ্ধ নগরীতে পরিণত হয়েছে গোটা শহর। মানুষ ব্যাপক দুর্ভোগের শিকার হয়েছে। বিদ্যুৎ বিপর্যয় হয়েছে ব্যাপক। দুপুরের পর ও বিদ্যুৎ আসেনি অনেক এলাকায়।

ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক ফখর উদ্দিন আহাম্মদ জানান, ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে ঝড়ো বাতাসের কারণে নারায়ণগঞ্জে কিছু এলাকায় গাছও ভেঙে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। শহরের চাষাঢ়ায় একটা প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড ভেঙে বিদ্যুতের তারে পড়ে আগুন লেগে যায়। এতে কোনও ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকায় ৭১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। দুপুর থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রেকর্ড করা হয় ৭২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত।

পানি নিষ্কাশনের বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের একাধিক কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন ধরেননি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত