প্রাথমিকে তৃতীয় ধাপের নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত

আপডেট : ২৯ মে ২০২৪, ০৬:৩৯ এএম

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ঢাকা ও চট্টগ্রামে তৃতীয় ধাপের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন যারা, তাদের নিয়োগ কার্যক্রম ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছে উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে এই পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

এ-সংক্রান্ত রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এসএম মাসুদ হোসাইন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেয়।

গত বছর প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৪৬ হাজার ১৯৯ জনকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। তাদের মৌখিক পরীক্ষা চলমান রয়েছে।

আইনজীবীদের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম ধাপে রংপুর, সিলেট ও বরিশাল বিভাগের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এরপর ২২ মার্চ দ্বিতীয় ধাপে রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। একই বছরের ১৭ জুন তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ২১টি জেলার লিখিত পরীক্ষার সংশোধিত ফল প্রকাশে দেখা যায়, ৪৬ হাজার ১৯৯ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। তবে, পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। এরই ধারাবাহিকতায় এ রিট আবেদনটি করা হয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।

ব্যারিস্টার সুমন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা প্রশ্ন ফাঁস করার অপরাধ স্বীকার করেন। এ নিয়ে পত্রিকায় প্রতিবেদনও প্রকাশ হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেয়নি। আমাদের প্রশ্ন হলো এ রকম দিবালোকের মতো দুর্নীতির ঘটনার পরও মন্ত্রণালয় কোনো ব্যবস্থাই নিল না। ধারণা করছি, পরীক্ষার দায়িত্বে মন্ত্রণালয়ের যারা ছিলেন তারা জড়িত থাকতে পারেন। এজন্য আমরা হাইকোর্টে এসেছি। আদালত মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত করে প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা তদন্ত করতে বলেছেন।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত