বাংলাদেশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে সাত লাখের বেশি ওয়েব থ্রেটস শনাক্ত ও ব্লক করেছে ক্যাস্পারস্কি সিক্যুরিটি সল্যুশন। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে থ্রেটস শনাক্তের পরিমাণ ২৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
গতবছর দেশের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দৈনিক গড়ে দুই হাজারের বেশি অনলাইন হামলা চালিয়েছে সাইবার অপরাধীরা। ওয়েব-বেস থ্রেটস বা অনলাইন থ্রেটস এক প্রকার সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি, যার ফলে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত অ্যাক্টিভিটি বা ঘটনা সংঘটিত হতে পারে। এন্ড-ইউজারের অসতর্কতা, ওয়েব সার্ভিস ডেভেলপার, অপারেটর বা ওয়েব পরিষেবা থেকে এমনটা হতে পারে। ওয়েব থ্রেটস ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান উভয়েরই ক্ষতি করতে পারে।
ওয়েব থ্রেটসের এই সংখ্যা বিভিন্ন আকারের ব্যবসায় ইনস্টলকৃত ক্যাস্পারস্কি’র বিটুবি পণ্যগুলোর ভিত্তিতে হিসাব করা হয়েছে।
ক্যাস্পারস্কি’র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার জেনারেল ম্যানেজার ইয়েও সিয়াং টিয়ং বলেন, “ইকোনোমিক এক্সপার্ট’রা এ বছর বাংলাদেশে ইতিবাচক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছেন। একইসাথে দেশের ডিজিটাল ইকোনোমি’র ক্রমাগত প্রবৃদ্ধি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য অনেক সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
ডিজিটাল ইকোনমি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে স্থানীয় সরকারের প্রচেষ্টা সফল করতে অনলাইনের গুপ্ত থ্রেটস থেকে রক্ষা পেতে ব্যবসাগুলোর সাইবার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে, কারণ এগুলো ডিজিটালাইজেশনের সুফলকে কাজে লাগানোর প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।”
প্রধানমন্ত্রীর এপিএস হাফিজুর ও ডিপিএস তুষারের নিয়োগ বাতিল
কবে আসছেন ব্র্যাড পিট ও জর্জ ক্লুনি?
প্রথম দিন ভয় লেগেছিল: মধুবন্তী