সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যরা দেশত্যাগ করেছেন কি না, সে বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কাছে কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির কমিশনার (তদন্ত) মো. জহুরুল হক। দুদক তাদের নোটিস করেছে। তারা নির্ধারিত দিনে হাজির হতে না পারলে বেনজীর ও তার পরিবার ১৫ দিন সময় চাইতে পারেন। গতকাল মঙ্গলবার দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এক প্রশ্নের জবাবে জহুরুল হক বলেন, দুদক কাউকে নোটিস করলে তিনি আসতে বাধ্য কি না, সেটা আইনে সুস্পষ্ট বলা নেই। না এলে ধরে নিতে হবে তার কোনো বক্তব্য নেই। তবে তার সুযোগ আছে সময় চাইতে পারবেন এবং কমিশন ১৫ দিন সময় দিতে পারবে। এই এখতিয়ার কমিশনের আছে। সময় দেওয়ার পরও যদি তিনি দুদকে না আসেন, তাহলে ধরে নিতে হবে তার কোনো বক্তব্য নেই। তখন রেকর্ডপত্র দেখে যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয় হবে, না হলে অব্যাহতি পাবেন। এই হলো আইনের বিধান। অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতেও বিচার হবে, এতে কোনো বাধা নেই।
তিনি আরও বলেন, অনুসন্ধানের স্বার্থে যা যা করণীয় সবই করা হচ্ছে। তার প্রচুর সম্পত্তি। অনুসন্ধান টিম এগুলোর হিসাব করছে। তারা অনুসন্ধান শেষ করে প্রতিবেদন দিলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে কমিশন।
গত ৩১ মার্চ ‘বেনজীরের ঘরে আলাদিনের চেরাগ’ এবং ৩ এপ্রিল ‘বনের জমিতে বেনজীরের রিসোর্ট’ শিরোনামে একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠে আসে। দুদক ওই অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে বেনজীরকে ৬ জুন এবং তার স্ত্রী জীশান মীর্জা ও দুই মেয়েকে ৯ জুন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়।
