হাইকোর্ট কর্তৃক প্রথম শ্রেণির সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটা পুনর্বহালের আদেশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় সরকারি চাকরিতে সকল প্রকার কোটা বাতিলের দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।
বুধবার (৫ জুন) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে তারা আন্দোলনের সূচনা করেন। পরবর্তীতে মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে শিক্ষার্থীরা পুনরায় মিছিল নিয়ে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে গিয়ে বিক্ষোভের সমাপ্ত করেন। তবে কোটা পদ্ধতি বাতিল না করা হয় আগামীকাল বিকেল ৫টায় রাজু ভাস্কর্যের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘চাকরিতে কোটা, মানি না মানবো না’, ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলায়/ স্বাধীনতার বাংলায়, কোটার ঠাই নাই’, ‘হাইকোর্টের রায়, মানি না মানব না’, ‘কোটা পদ্ধতি, কোটা পদ্ধতি, মানি না মানব না’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।
শিক্ষার্থীরা বলেন, সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটা কোনও দেশের স্বাভাবিক শিক্ষাব্যবস্থা হতে পারে না। আজ হাইকোর্ট শিক্ষার্থীদের চাওয়াকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কোটা পুনর্বহালের পক্ষে রায় দিয়েছে। এমন কোনও সিদ্ধান্ত নিতে হলে অবশ্যই শিক্ষার্থীদের সাথে বসেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমরা মুক্তযোদ্ধাদের সম্মান জানাই যারা দেশের সূর্য সন্তান। কিন্তু তা-ই বলে তাদের সন্তান এমনকি নাতি-নাতনিরা পরিশ্রম কম করেই কোটায় চাকরিতে যোগ দিবে এটা মানি না। আমরা হাইকোর্টের এই রায়কে অবৈধ ঘোষণা করলাম।
তারা আরো বলেন, আমরা সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানাই আপনারা রাস্তায় নেমে আসুন, এই কোটা আন্দোলনে শরীক হোন। এটা আমাদের অধিকারের লড়াই। দেশের মেধাবীরা পরিশ্রম করে চাকরি পাবে, কোটায় নয়। আপনারা দল মত নির্বিশেষে একত্রিত হয়ে শোষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সরকারি চাকরিতে কোটার বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন।
‘মনে হচ্ছিল আমিও আবরার ফাহাদের মতো মরে যাব’
বিশ্বকাপে ‘দৌড়ের ওপর’ বাংলাদেশ