বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা দিলেন দেড় কোটি পরীক্ষার্থী

আপডেট : ০৮ জুন ২০২৪, ০৬:৪৭ পিএম

‘বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন’ পরীক্ষা বলা হয় চীনের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষাকে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন বলছে, দেশটির অর্থনীতির গতি মন্থর হওয়ার কারণে তরুণদের স্নাতক করার সুযোগও হ্রাস পেয়েছে। ফলে এ বছর রেকর্ড সংখ্যক ১ কোটি ৩৪ লাখ শিক্ষার্থী এই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।

ন্যাশনাল কলেজ এনট্রান্স পরীক্ষাটি ‘গাওকাও’ নামে পরিচিত। দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বের বৃহত্তম এই অ্যাকাডেমিক পরীক্ষা। তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে গাওকাওকে চীনা রাষ্ট্রীয় মিডিয়া ‘বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন’ পরীক্ষা হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। মূলত শিক্ষার্থীরা তাদের ১২ বছরে যা কিছু শিখেছেন, তার সবই ঢেলে দিতে হয় বিষয়ভিত্তিক প্রতিটি দুই ঘণ্টার পরীক্ষায়।

পরীক্ষায় এ বছর ১ কোটি ৩৪ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেন। যা গত বছরের রেকর্ড ১ কোটি ২৯ লাখ পরীক্ষার্থীকে ছাড়িয়ে গেছে। নিয়ম অনুযায়ী একজন শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় একবারই অংশ নিতে পারেন। বেশ কঠিন এই পরীক্ষায় ভালো স্কোর করলে দেশটির শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রবেশের সুযোগ পাওয়া যায়। পরীক্ষায় চীনা সাহিত্য, গণিত, ইংরেজি, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, রাজনীতি ও ইতিহাসের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

শুক্রবার ছিল এ বছরের গাওকাওয়ের প্রথম দিন। কর্তৃপক্ষ পরীক্ষার স্থানগুলোর চারপাশে শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, বেইজিংয়ে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় স্থান সামার প্যালেসের কাছাকাছি একটি স্কুলের চারপাশে যানবাহনের প্রবাহ মসৃণ এবং কমাতে সাহায্য করার জন্য ট্রাফিক পুলিশ সকাল ৬টার দিকেই রাস্তায় হাজির হয়।

সাংহাইতে ট্যাক্সিস্ট্যান্ডগুলোতে এক সপ্তাহ আগে থেকেই পরীক্ষার্থীদের জন্য বুকিং গ্রহণ শুরু হয়েছে। চায়নিজ সামাজিক প্ল্যাটফর্মগুলো ভরে গেছে উৎসাহ ও প্রেরণামূলক বার্তায়। এক্সে সবচেয়ে বেশি খোঁজা বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে গাওকাও। অনেক চীনা সেলিব্রিটিসহ আন্তর্জাতিক তারকারাও পরীক্ষার্থীদের শুভকামনা জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন। তাদের মধ্যে আছেন ব্রিটিশ ফুটবল কিংবদন্তি ডেভিড বেকহ্যাম।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত