রাত পোহালেই নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভার ভোট। প্রচার-প্রচারণা শেষ। এখন চলছে জয়ে-পরাজয়ের হিসাব-নিকাশ। সাধারণ ভোটারদের মাঝে বহিরাগত আতঙ্ক কাটেনি। গত কয়েকদিনের নির্বাচনের আগে মেয়র প্রার্থীর উপর হামলা, পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা, ক্যাম্প ভাঙচুরসহ বিভিন্ন সহিংসতার ঘটায় ভোটারদের মাঝে এ আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
ভোটারদের দাবি, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বহিরাগতরা কাঞ্চন পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় সশস্ত্র অবস্থান নিয়েছে। নির্বাচনের দিন বড় ধরনের সহিংসতার আশঙ্কায় ভোটারদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। পৌরসভার ১৯ কেন্দ্র ঝূকিপূর্ণ বলে দাবি করেছেন ভোটাররা। সরকারী হিসাবে চারটি কেন্দ্রকে ঝূকিপূর্ণ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে ৯টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৪০ হাজার ৭৯৮।
জানা গেছে, জগ প্রতীকে রফিকুল ইসলাম রফিক ও মোবাইল ফোন প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দেওয়ান আবুল বাশার বাদশা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত দুই মেয়র প্রার্থী এবং প্রার্থীর সমর্থকরা প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন। গতকাল সোমবার (২৪ জুন) রাত ১২টার পর থেকে প্রচার-প্রচারণা বন্ধ হলেও মেয়র প্রার্থী দেওয়ান আবুল বাশার পক্ষে বহিরাগত সন্ত্রাসীরা অস্ত্রসহ অবস্থান নিয়েছে বলে জানা গেছে। নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ হওয়ার পরও বাদশার পক্ষে বহিরাগতরা পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে গোপনে অবস্থান নিয়েছে। বহিরাগতরা অস্ত্রের মহড়া ও ভোটারদের হুমকি-ধামকি দিয়ে প্রভাব বিস্তার করছে। বহিরাগত আতঙ্কে কাঞ্চন পৌরসভা এলাকায় নির্বাচনের আগের দিন থেকেই দোকানপাটসহ বেশিরভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে রেখেছে ব্যবসায়ীরা।
নারায়ণগঞ্জ জেলা গ-সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, নির্বাচনের দিন কাঞ্চন পৌরসভার প্রতিটি কেন্দ্রে ২০ জন করে পুলিশ সদস্য ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তৎপর থাকবেন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বহিরাগতরা কোনো প্রকার ঝামেলার সৃষ্টি করলে ছাড় দেওয়া হবে না।
