কোনাগ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়

কাগজে স্কুলের জমি থাকলেও বাস্তবে নেই

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০২৪, ০৯:৩৯ পিএম

১৯৭৩ সালে ৩৪ শতাংশ জমিতে প্রতিষ্ঠিত হয় কোনাগ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়। ১৯৭৫ সালে বিদ্যালয়ের নামে দুটি দলিলে ৩৪ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রিও হয়। কিন্তু কাগজে-কলমে জমি থাকলেও সম্প্রতি নতুন ভবন নির্মাণ করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি। 

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, তৎকালীন প্রধান শিক্ষক শাহাদত হোসেন ও স্থানীয় বক্কার মহাজন ১৭ শতাংশ করে ৩৪ শতাংশ জমি বিদ্যালয়ের নামে রেজিস্ট্রি করেছিলেন। ২০১৩ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ হয়। প্রধান শিক্ষক জাতীয়করণের সকল সুযোগ সুবিধা নিয়ে অবসরেও যান।
 
কিন্তু বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ করতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে, রেজিস্ট্রি করা ৩৪ শতাংশই কৃষি জমি এবং প্রধান শিক্ষকের দেওয়া ১৭ শতাংশ জমি তার নামেই রয়েছে। আর বিদ্যালয়টি ৮ শতাংশের ওপর থাকলেও তার দলিল নেই। প্রতিষ্ঠানটিতে চারজন শিক্ষক ও ১৫০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।

বর্তমান প্রধান শিক্ষক সুরাইয়া পারভীন বলেন, আমি বিদ্যালয়ে নতুন। ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষ থেকে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য পরিদর্শনে এলে বিদ্যালয়ের অনুকূলে জমির কাগজপত্রে দেখা যায়, ৩৭ শতাংশ জমিই মাঠে। রেকর্ড সংশোধন মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার আশরাফুল হক বলেন, কোনাগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে ৩৪ শতাংশ জমি থাকলেও বাস্তবে স্কুলের কোনো জমি নেই। তৎকালীন প্রধান শিক্ষক শাহাদত হোসেন ১৭ শতাংশ জমি দিলেও তা মাঠে, যা তিনি তার নিজের নামেই রেকর্ড করে নিয়েছেন। বাকি ১৭ শতাংশ জমিও মাঠে। এ সমস্যার সমাধান জটিল। তবে রেকর্ড সংশোধন মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত