অনেকেরই ডায়রিয়া হয়। আর ডায়রিয়া হলে সাধারণ খাবার খাওয়ারই পরামর্শ দেন ডাক্তাররা। কিন্তু কিছু খাবার ডায়রিয়া কমাতে পারে না। সে ক্ষেত্রে এসব খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।
মিষ্টি খেলেই বিপদ
ডায়রিয়া হওয়ার পরও মিষ্টি খেলে লুজ মোশান আরও বাড়ে। কারণ, আমাদের পরিচিত সব মিষ্টি তৈরির মূল উপকরণ হলো ময়দা। এমনকি এতে প্রচুর পরিমাণে চিনিও থাকে। যার ফলে মিষ্টি খেলেই পেটের সমস্যা কয়েকগুণ বাড়ে।
চা-কফির থেকে বাড়িয়ে নিন দূরত্ব
ডায়রিয়ার সময় শরীরে পানির ঘাটতি থাকলে চলবে না। আর এই কথার সুযোগ নিয়েই অনেকে লুজ মোশান হওয়ার পরও চা-কফিতে চুমুক দেন। আর সেই কারণে সমস্যা আরও বাড়ে। আসলে চায়ে রয়েছে ট্যানিন, অপরদিকে কফিতে উপস্থিত রয়েছে ক্যাফিন। আর এই দুই উপাদান কিন্তু ডায়রিয়ার সময় বিপদ আরও বাড়াতে পারে। তাই চেষ্টা করুন ডায়রিয়ার সময় কফি এবং চা এড়িয়ে চলার। তার বদলে শুধু পানি ও খাবার স্যালাইনের ওপর ভরসা রাখুন।
আইসক্রিমে বিরাট বিপদ
ডায়রিয়ার সময় আইসক্রিম খেলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। কারণ, আইসক্রিম হলো মিষ্টির ভা-ার। এমনকি এতে কিছুটা পরিমাণে দুধ এবং ফ্যাটও থাকে। আর এসব উপাদান ঠিকমতো হজম হতে চায় না। যার ফলে আইসক্রিম খেলে লুজ মোশানের সমস্যা আরও বাড়ে।
ফাস্টফুড খাওয়া যাবে না
ফাস্টফুডে রয়েছে লবণ, মসলা, তেল। এমনকি এসব খাবার তৈরির মূল উপকরণ হলো ময়দা। আর এসব উপাদান কিন্তু পেটের জন্য ক্ষতিকর। যার ফলে ডায়াবেটিসের সময় বিরিয়ানি, পিৎজা, বার্গার, রোল, চাউমিন, চপের মতো খাবার একবার খেলেও সমস্যা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তাই যেভাবেই হোক এসব খাবার এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।
দুধ বাদ দিন
দুধে আছে ভিটামিন, খনিজ, প্রোটিন, ফ্যাট। সব বয়সীদের জন্য দুধ অত্যন্ত উপকারী। তবে ডায়রিয়ার সময় খাওয়া চলবে না। কারণ, এতে রয়েছে ল্যাকটোজ নামক একটি উপাদান, যা হজম করা কিন্তু সহজ নয়। তাই ডায়রিয়া কমাতে হলে এই সময়টাতে দুধ বাদ দিতে হবে।
