বিধি সংশোধন করে অবৈধভাবে এডহক চিকিৎসকদের সুবিধা প্রদানের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছে বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশন। স্বাস্থ্য ক্যাডারদের এডহক কর্মকর্তাদের অধীনস্ত করার অবৈধ সিদ্ধান্ত বাতিল করে প্রচলিত সকল ক্যাডারদের ক্ষেত্রে চাকরি বিধির যে নিয়ম স্বাস্থ্য ক্যাডারের ক্ষেত্রেও তা বিদ্যমান রাখার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটির নেতারা। এনক্যাডাররা সবসময়ই সর্বশেষ বিসিএস এর পরে সিনিয়রিটি পায়, স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম মানার দাবি জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুলাই) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত বিধি সংশোধন করে স্বাস্থ্য ক্যাডারদের ক্ষতিগ্রস্ত করে এনক্যাডার কর্মকর্তাদের সুবিধা প্রদানের ‘সংবিধান ও আপিল বিভাগের রায় বিরোধী’ সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন হেলথ ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের কনভেনর কমিটির আহ্বায়ক ডা. মোহাম্মাদ নেয়ামত হোসেন।
বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডার এসোসিয়েশনের দাবিগুলো হল- সকল বিসিএস ক্যাডারে যে নিয়ম, এনক্যাডার হওয়া এডহক কেও সেই একই নিয়মের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। সিনিয়র স্কেল ছাড়া যেহেতু ক্যাডারে পদোন্নতির সুযোগ নেই, সুতরাং এডহকের ক্ষেত্রে এই সিনিয়র স্কেল পরীক্ষার প্রমার্জনা সরকারি চাকুরিবিধির সাথে সাংঘর্ষিক, এটি মানা যাবেনা। এনক্যাডার সবসময়ই সর্বশেষ বিসিএস এর পরে সিনিয়রিটি পায়, সেক্ষেত্রে এডহক থেকে এনক্যাডার হওয়া চিকিৎসক দেরকে সর্বশেষ বিসিএস ৪২ তম বিসিএস এর পরে তালিকাভুক্ত করতে হবে।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘আমরা মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ, সরকারি কর্মকমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরগুলোতে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের সকল অনিয়মসূহ লিপিবদ্ধ করে জমা দিয়েছি যার প্রাপ্তিস্বীকার পত্র আমাদের নিকট রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন হেলথ ক্যাডার এসোসিয়েশনের সদস্য সচিব ডা. উম্মে তানিয়া নাসরিন, সদস্য ডা. নীতিশ কৃষ্ণ দাশ, ডা. সুমন সেন, ডা. সাফায়েত মুহাম্মদ শান্তনু, ডা. মো. মুনীবুর রহমান জুয়েল, ডা. নীহাররঞ্জন দাস, ডা. মাতুয়ারা শারমীন, ডা. আল মাহমুদ লেমন, ডা. মাহমুদ উর রহমান মাসুদ, ডা. জাকারিয়া হিমেল, ডা. আফানুর রহমান আদনান ও ডা. আলী আসগর শিবলী প্রমুখ।
