সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) কর্মরত কেউ যদি কোচিং ব্যবসা চালান বা প্রেসের মালিকানার সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে চাকরি বিধিমালা অসদাচরণের অভিযোগ এনে বরখাস্ত করা হবে বলে জানিয়েছে পিএসসি। এ ছাড়া প্রশ্নপত্র ফাঁসে কারও নাম সন্দেহের তালিকায় এলেও তা তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত ওই ব্যক্তিকে ছুটিতে পাঠিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করতে চায় পিএসসি। মঙ্গলবার (৯ জুলাই) সকালে পিএসসির একজন উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা পিএসসির এসব তৎপরতার কথা জানান।
বুধবার (১০ জুলাই) সকালে পিএসসিতে গিয়ে দেখা গেছে, ৪৪তম বিসিএসের ভাইভা চলছে। প্রার্থীরা ভাইভা দিতে এসেছেন। কেউ কেউ ভাইভা শেষে ফিরে যাচ্ছেন
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, কোচিং বা প্রেস থাকলে চাকরি বিধিমালা অনুসারে তা প্রতিষ্ঠানকে জানাতে হয়। কয়েকজনের নামে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তাদের কারও কারও কোচিং ব্যবসা আছে। কারও প্রেস আছে। এগুলো থাকলে আর প্রতিষ্ঠানকে না জানিয়ে থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হলে ওই ব্যক্তিদের বরখাস্ত করে বিভাগীয় মামলা করা হবে।
এ ছাড়া সন্দেহের তালিকার বাইরে কাউকে রাখা হচ্ছে না। কোনোভাবে কারও নাম এলেই তাকে তার দায়িত্ব থেকে নিষ্ক্রিয় রাখা হবে। প্রয়োজনে ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে আর নির্দোষ প্রমাণিত না হলে পিএসসিতে তাকে ফেরানো হবে না। এ ছাড়া সরকারের কোনো সংস্থা প্রশ্ন ফাঁসের তদন্ত করতে এলে পিএসসি থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়ে জানতে চাইলে পিএসসি চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসাইন বলেন, ‘সঠিক তদন্তের জন্য ও সত্য বের হওয়ার জন্য সব ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছি আমরা। তদন্ত কমিটি কাজ করছে। তাদের প্রতিবেদনের অপেক্ষা করছি আমরা।’
স্ত্রীর কথায় চলেন প্রশ্নফাঁসে জড়িত নোমান
কানাডার গোলকিপারকে যেভাবে বোকা বানালেন মেসি