টুর্নামেন্টজুড়ে দাপট দেখিয়েছে উরুগুয়ে। কিন্তু সেমিফাইনালে কলম্বিয়া তাদের মাটিতে নামিয়ে আনল। ১-০ গোলে হেরে কোপা আমেরিকা থেকে বিদায় নিয়েছে দলটি। হারের পর দলটির আর্জেন্টাইন কোচ মার্সেলো বিয়েলসা কোনো অযুহাত দাঁড় করাতে রাজি নন। তবুও ঘাটতিগুলো ধরিয়েছেন তিনি।
হারের পর দলের প্রতিনিধি হয়ে এসেছিলেন সংবাদ সম্মেলনে। সেখানে দাবি করেছেন ম্যাচটি জেতার মতো অবস্থানে তার দল ছিল। কিন্তু চোটাক্রান্ত খেলোয়াড়দের বদলী হিসেবে যারা খেলেছেন তারা কেউ অভাব পূরণ করতে পারেননি।
এক প্রশ্নের জবাবে বিয়েলসা বলেছেন, ‘আমরা এই ম্যাচটি স্পষ্টভাবে জেতার মতো অবস্থানে ছিলাম। তবে আমার একটি দল লাগবে যারা প্রতিপক্ষের চেয়ে মানসিকভাবে শক্তিশালি। ম্যাচ হেরে গেলে যেকোনো কিছু একটা বলা মানেই অযুহাত। তবে ম্যাচের এক পর্যায়ে আমাদের সামঞ্জস্য নিয়ে অনেক বেগ পেতে হয়েছে। (নাহিতান) নান্দেজ, (রোনাল্ড) আরাউজো, (ম্যাথিয়াস) অলিভেরা, (মাতিয়াস) ভিনা, (রদ্রিগো) বেতানকুর... আমি যে খেলোয়াড়দের কথা বলেছি তাদের বিকল্প খেলোয়াড়রা তাদের অভাব পূরণ করতে পারেনি।’
সাসপেনশনের কারণে কলম্বিয়ার বিপক্ষে খেলতে পারেননি নান্দেজ, ব্রাজিলের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে আরাউজো ইনজুরিতে পড়েন, পানামার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে অস্বস্তির কারণে অলিভেরাকে চলে যেতে হয় এবং ভিনা ব্রাজিলের বিপক্ষে চোট পেয়ে সেমিফাইনাল থেকে বাদ পড়েন, এসময় বেতানকুরও আহত হন।
ম্যাচ শেষে বিয়েলসা বলেন, ‘প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করার মতো খেলোয়াড় থাকা সত্ত্বেও প্রথমার্ধে একটি গোল হজম করতে হয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধে ১০ জনের দলের বিপক্ষেও গোল আদায় করতে না পারার দায়টা তাই আমাকে নিতে হচ্ছে।’
বিয়েলসা আরও স্বীকার করেছেন, ‘বিরতির আগে ডাবল হলুদ কার্ড পাওয়া কলম্বিয়ান খেলোয়াড় দানিয়েল মুনোজ না নামলেই বোধহয় ভালো হত। কারণ দ্বিতীয়ার্ধে যা ঘটেছে, তাতে কলম্বিয়াকে যেভাবে খেলতে হয়েছে, তাতে এগারো জন থাকা অবস্থায় আমাদের যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে, তার চেয়ে বেশি সমস্যা হচ্ছিল আমাদের জন্য।’
