সিরাজগঞ্জে হত্যা ও ডাকাতি মামলার প্রধান আসামিকে ধরতে গিয়েছিলেন রায়গঞ্জ থানার উপ-পরিদশর্ক (এসআই) রেজাউল ইসলাম শাহ (৪৫)। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামি নাজমুল হাসান (৩০) সরস্বতী নদীতে ঝাঁপ দেন। তার পিছু নিয়ে এসআই রেজাউলও ঝাঁপ দেন। কিন্তু আসামি নদী সাঁতরে পালাতে সক্ষম হলেও মাঝনদীতে ডুবে যান এসআই। গতকাল সোমবার সকাল ১০টার দিকে রায়গঞ্জ উপজেলার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এসআই রেজাউল করিম শাহর বাড়ি নওগাঁ জেলার সাপাহার গ্রামে। তার মৃত্যুতে সিরাজগঞ্জ জেল পুলিশের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
রায়গঞ্জ থানা-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রায়গঞ্জ উপজেলার নলকা ইউনিয়নের এরানদহ গ্রামে ভাতিজাকে খুন ও ডাকাতি মামলার প্রধান আসামি নাজমুল হাসান। তাকে গ্রেপ্তার করতে গতকাল সকালে এসআই রেজাউল ইসলাম শাহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে রাঁধানগর গ্রামে গিয়েছিলেন। এসআই রেজাউল ইসলাম মাঝ নদীতে নিখোঁজ হওয়ার পর উল্লাপাড়া ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম প্রায় এক ঘণ্টা নদীতে অভিযান চালিয়ে এসআই রেজাউলের সজ্ঞাহীনদেহ উদ্ধার করে। পরে সিরাজগঞ্জ শহীদ এম এ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. গোলাম আম্বিয়া বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই তার মুত্যু হয়েছে।’
রায়গঞ্জ থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় তার মরদেহ সিরাজগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ছাড়া এ ঘটনায় সিরাজগঞ্জ সদর থানায় একটি ইউডি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। বাদ আসর সেখানে জানাজার নামাজ শেষে তার মরদেহ তার গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। জানাজার নামাজে সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান ম-লসহ অন্য অফিসাররা উপস্থিত ছিলেন।
