কোটা আন্দোলনে সহিংসতার অভিযোগে করা মামলায় বিএনপি ও জামায়াতের চার শতাধিক নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। গতকাল বুধবার ঢাকার সংশ্লিষ্ট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাদের হাজির করা হলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।
এর মধ্যে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে হাজির করা হলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মইনুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এ ছাড়া বিএনপির ঢাকা জেলার সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরীকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে হাজির করা হলে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।
নাশকতার মামলায় জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে পাঁচ দিন হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের (রিমান্ড) অনুমতি দিয়েছে আদালত। গতকাল তাকে হাজির করে পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে। শুনানি নিয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মইনুল ইসলাম তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
বনানীতে সেতু ভবনে হামলা ও অগ্নিসংযোগের মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুর রহমান শিমুল বিশ^াসসহ সাতজনকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত। এ ছাড়া ঢাকার ছয় থানার পৃথক মামলায় বিএনপি-জামায়াতের আরও ২৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। ঢাকার পৃথক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত শুনানি নিয়ে রিমান্ডের এসব আদেশ দেয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে পাঠানো বিএনপির উল্লেখযোগ্য নেতারা হলেন দলটির ঢাকা মহানগর (উত্তর) সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) সভাপতি মো. রফিকুল আলম মজনু। সেতু ভবনে হামলা ও অগ্নিসংযোগের মামলায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।
