ধানমন্ডিতে অস্ত্র বিস্ফোরকসহ গ্রেপ্তার ৩ জামায়াত নেতা

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২৪, ০৭:০৪ এএম

রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিস্ফোরক ও ধারালো অস্ত্রসহ জামায়াতে ইসলামীর তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দলটির সমর্থক আইনজীবী জসিম উদ্দিনের চেম্বারে গতকাল শনিবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এ অভিযান চালান ঢাকা মহানগর পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) সদস্যরা।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সদস্য রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, জামায়াতে ইসলামীর কোষাধ্যক্ষ খন্দকার মিজানুর রহমান ও দলটির সক্রিয় সদস্য মোহাম্মদ আবদুর রশিদ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিটিটিসির উপকমিশনার (ডিসি) মিশুক চাকমা বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর অফিসটিতে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা সেখানে নানা অপতৎপরতার জন্য গোপন বৈঠক করছিল। অফিসটিতে তল্লাশি চালিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ডকুমেন্ট (নথি) পাওয়া গেছে।’

অভিযানের সময় সেখান থেকে ১১টি হাতবোমা (ককটেল), দুটি বড় ছুরি, একটি চাপাতি, কাঠের দুটি বড় লাঠি ও আগ্নেয়াস্ত্র পরিষ্কারের একটি ক্লিনিং রড পাওয়ার কথা জানিয়েছে সিটিটিসি।

সিটিটিসি কর্মকর্তারা জানান, ধানম-ির সাতমসজিদ রোড সংলগ্ন ৫/এ নম্বর হোল্ডিংয়ের ‘অবসর ম্যানশন’ নামে ভবনটির চতুর্থতলার একটি ফ্ল্যাট আইনজীবী জসিম উদ্দিনের চেম্বারের নামে ভাড়া নেওয়া হয়। যদিও সেটি জামায়াতের গোপন অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। গতকাল বিকেল থেকে ওই ভবনটি ঘিরে রেখে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ও সিটিটিসি প্রধান মো. আসাদুজ্জামান।

সিটিটিসির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘ছাত্র আন্দোলনে ঢুকে নাশকতা চালাতে অর্থদাতা ও সরাসরি জড়িত বেশ কয়েকজনের তালিকার তথ্যও পাওয়া গেছে ওই অফিসটিতে। অফিসটিতে বসেই ধানম-ি এলাকায় নাশকতায় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছিল। ২০১৮ সালে সাতমসজিদ রোড এলাকায় যে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়, সেটিও এ অফিস থেকে পরিচালিত হয়েছিল।’

ওই অফিস থেকে উদ্ধার করা ককটেলগুলো রাতেই আবাহনী মাঠের পাশে বম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা নিষ্ক্রিয় করেন বলে জানান সিটিটিসি কর্মকর্তারা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত