৪ কোটি ২০ লাখ টাকা অর্থ আত্মসাতের মামলায় সোনালী ব্যাংকের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। গতকাল বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১-এর বিচারক আবুল কাশেম এ দ- দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত চারজন হলেন সোনালী ব্যাংকের বায়তুল মোকাররম শাখার সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার আজহার হোসেন ও জহিরুল হক চৌধুরী, ক্যাশ অফিসার নাজিম উদ্দিন ও মানিক মিয়া। ১৯৯৮ সালে অর্থ আত্মসাতের ঘটনার ২৬ বছর পর এ মামলার রায় হলো।
আদালত দুটি ধারায় তিন ব্যাংক কর্মকর্তাকে ১০ বছরের ও মানিক মিয়াকে একটি ধারায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়। চারজনকে ৪২০ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং সাড়ে ৬ কোটি টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অপর ধারায় শুধু সাবেক ব্যাংকার নাজিম উদ্দিন, জহিরুল হক ও আজহার হোসেনকে আরও পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। তবে দুই ধারার সাজা একত্রে চলবে মর্মে আদেশে উল্লেখ করে আদালত। এ ক্ষেত্রে তাদের পাঁচ বছর সাজা ভোগ করতে হবে। আদালত আসামিদের ৩০ আগস্টের মধ্যে অর্থদণ্ডের টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাংলাদেশ ব্যাংকের চালানের মাধ্যমে জমা দিয়ে ওই কপি আদালতে দাখিল করতে বলেছে। ব্যর্থতায় তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ থেকে আদায় করতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায়ের সময় আসামি নাজিম উদ্দিন ও মানিক মিয়া আদালতে হাজির ছিলেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। অপর দুই আসামি পলাতক রয়েছে। আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ১৯৯৮ সালের ১ এপ্রিল সোনালী ব্যাংকের বায়তুল মোকাররম শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক এএসএম আব্দুল মতিন আনসারী মতিঝিল থানায় এ মামলাটি করেন।
