বেলকুচি

আ. লীগ কার্যালয়ে বিএনপির অফিস বানালেন বহিষ্কৃত নেতা!

আপডেট : ১২ আগস্ট ২০২৪, ১০:২৩ পিএম

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের অফিসে সাইনবোর্ড লাগিয়ে কার্যালয় দখলের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির বিরুদ্ধে। বেলকুচি উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বহিষ্কৃত নেতা আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল এ সাইনবোর্ড লাগিয়েছেন বলে অভিযোগ আওয়ামী নেতাদের।

সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনের সাবেক এমপি ও সাবেক মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস অভিযোগ করে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর গত ৫ আগস্ট বিকেলে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় ভাঙচুর করে বিএনপি-জামায়াত ও আন্দোলনকারীরা। ৬ আগস্ট বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলের নেতৃত্বে তার সমর্থকরা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ঢোকে। তারা আওয়ামী লীগের সাইনবোর্ড নামিয়ে বিএনপির বেলকুচি শাখা কার্যালয়ের সাইনবোর্ড লাগায়।’

তার অভিযোগ, ‘এ ঘটনার পর থেকে আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল তার সমর্থকদের নিয়ে ওই অফিসে আড্ডা দিচ্ছেন।’ তবে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আমিরুল ইসলাম আলিমসহ মূল ধারার নেতারা এই ঘটনার সাথে জড়িত নেই বলে জানা গেছে।

সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ অফিসের জায়গাটি আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলের চাচা আব্দুল হাই মন্ডলসহ অন্য ওয়ারিশদের কাছে থেকে কেনা হয়। ২০১৭ সালের পর আমি নিজে বিল্ডিং নির্মাণ করে আওয়ামী লীগ অফিস বানিয়েছি। এটা আমার নিজস্ব সম্পত্তি। বিষয়টি সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে অবগত করেছি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বেলকুচি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র বেগম আশানুর বিশ্বাস বলেন, ‘উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের জায়গাটি ২০১৪ সালে আব্দুল লতিফ বিশ্বাস নিজ অর্থে কিনেছেন। এরপর পাকা ভবন বানিয়ে দলীয় কার্যালয় করেন। সেটা কিভাবে তারা দখল করে বিএনপির অফিস বানায়? এটা কোন আইনে আছে তা আমার জানা নেই।’

এ বিষয়ে জানতে সাংবাদিকরা আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেয়। কিন্তু তিনি সাড়া দেননি।

তবে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, ‘অন্য কোনো দলের অফিস দখল করার পক্ষে আমরা নই। আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা। এখনো তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হয়নি। তিনি নিজ দায়িত্বে বেলকুচি আওয়ামী লীগ অফিস দখল করেছেন। এটার দায়ভার বিএনপি নেবে না।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত