অভিভাবকহীন হয়ে পড়া বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কার্যালয়ে প্রতিনিয়তই লেগে আছে পদত্যাগপ্রার্থীদের ভিড়। বিগত সময়ে ম্যাচ রেফারি, লজিস্টিক ম্যানেজার সহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করা দেবব্রত পাল বাংলাদেশ ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনেরও সাধারণ সম্পাদক। গণমাধ্যমে তিনি রবিবার অভিযোগ করেছিলেন, ২০২৩ বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার ৯ মাস পরেও সেই আসরের প্রাইজমানির অর্থ খেলোয়াড়দের বুঝিয়ে দেয়নি বিসিবি। মঙ্গলবার একটি বিবৃতির মাধ্যে কোয়াবের এই অভিযোগ খন্ডন করেছে দেশের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
ই-মেইলে প্রেরিত বিবৃতিতে বিসিবির পক্ষ থেকে জানান হয়, 'একজন বিসিবি কাউন্সিলর বিসিবির বিরুদ্ধে ২০২৩ বিশ্বকাপের প্রাইজমানি প্রদান না করার যে অভিযোগ উত্থাপন করেছেন তা অসত্য। বিসিবি এই মর্মে নিজেদের অবস্থান ব্যক্ত করতে চায় যে অনিচ্ছাকৃত দেরীর জন্য বিসিবি কোনভাবেই দায়ী নয়। সাধারণ কোন আয়োজন শেষের মাসখানেকের মধ্যেই টাকাটা পাওয়া যায়। ২০২৩ বিশ্বকাপ নভেম্বরে শেষ হবার পর বিসিবি দ্রুততার সঙ্গেই সব রকম রশিদ আইসিসিকে প্রদান করেছে। কর সংক্রান্ত জটিলতা এবং কমপ্লায়েন্স ইস্যুর কারণে দেরী হচ্ছিল। এ ধরণের প্রশাসনিক বিঘ্ন অংশগ্রহণকারী সব দেশের প্রাপ্তিকেই বিলম্বিত করেছে। প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে বিসিবির পক্ষ থেকে ডেলয়েট হাস্কিন অ্যান্ড সেলস এলএলপি প্রতিষ্ঠানটিকেও নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বিসিবি। আমরা জানতে পেরেছি সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতাই সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামী সপ্তাহেই আমাদের পাওনা অর্থ আমাদের ব্যাঙ্ক হিসাবে জমা হবে।'
২০২৩ বিশ্বকাপে অংশ গ্রহণের জন্য ১ লাখ এবং দুই ম্যাচ জয়ের জন্য ৪০ হাজার করে ৮০ হাজার, মোট ১ লাখ ৮০ হাজার ডলার প্রাইজ মানি পেয়েছে বাংলাদেশ।
মেসিকে ছাড়া মায়ামির টানা ১১তম ম্যাচ