তীব্র ছাত্র-গণআন্দোলনে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বদলে যায় দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। সেইসঙ্গে সাবেক বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন ও তার ঘনিষ্ট ইসমাঈল হায়দার মল্লিকসহ বেশ কয়েকজন চলে যান আত্মগোপনে। সেই পাঁচ আগস্ট রাতেই বিসিবি কার্যালয় থেকে ব্যাগভর্তি করে গুরুত্বপূর্ণ নথি গায়েবের অভিযোগ উঠেছে!
এমন অভিযোগের ভিত্তি সিসিটিভি ফুটেজ। সেই ফুটেজে দেখা গেছে, ৫ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিসিবিতে প্রবেশ করেন অচেনা দুই যুবক। এরপর রাত ৯টা ১৭ মিনিটে বিসিবি কার্যালয়ের করিডোর ধরে তাদের হেঁটে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়। একজনের কাঁধে ছিল বড় সাইজের দুটি ব্যাগ। অন্ধকারের মাঝে মোবাইলের টর্চ জ্বেলে তারা এগোতে থাকেন।
রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সেই ব্যক্তিকে দেখা যায় দুইটি ব্যাগ নিয়ে লিফটে করে নেমে যেতে। ব্যাগের সাইজ দেখেই বোঝা যাচ্ছিল, সেগুলো বিভিন্ন জিনিসে বোঝাই করা। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরাও তাদের পরিচয় নিয়ে অন্ধকারে ছিলেন। বিষয়টি নিয়ে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজন বলেন, ‘এই বিষয়টি আমি মিডিয়াতেই দেখেছি। বিষয়টি নিয়ে আসলে কখনো কথা বোলার সুযোগ হয়নি। কথা বলব।’
আওয়ামী শাসন আমলে দেশের অন্যান্য সেক্টরের মতো বিসিবিও দুর্নীতি আর অনিয়মে আকণ্ঠ নিমজ্জিত ছিল। ঠিক এ কারণেই বেশ কয়েকজন বিসিবি পরিচালক পলাতক আছেন। তারা নিজেদের দোষ ঢাকতে প্রমাণ লোপাট করার উদ্দেশ্যে এই কাণ্ড করিয়েছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আবার অনেকে তদন্ত থেকে বাঁচতে ভোল পাল্টে ভালো সাজার চেষ্টা করছেন। এবার দেখার, ফারুক আহমেদের নতুন বিসিবি এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেয়।
রাওয়ালপিন্ডিতে তিন পেসার নিয়ে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ