আল্লাহতায়ালা মানুষকে নানাভাবে পরীক্ষা করেন। কখনো সচ্ছলতা দিয়ে আবার কখনো অভাব-অনটন দিয়ে। তাই সব অবস্থায় মহান আল্লাহর কৃতজ্ঞতা আদায় করতে হবে। তার কাছেই অভাব-অনটন থেকে মুক্তি চাইতে হবে। অভাব-অনটনের সময় নিরাশ হওয়া যাবে না। মহান আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে চেষ্টা ও দোয়া করতে হবে। রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি বেশি বেশি এই দোয়াটি পাঠ করবে তার অভাব-অনটন দূর হয়ে যাবে। দোয়াটি হলো : ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল ফাকরি, ওয়াল কিল্লাতি, ওয়াজজিল্লাতি, ওয়া আউজুবিকা মিন আন আজলিমা আও উজলিমা।’ অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই দরিদ্রতা থেকে, আপনার কম দয়া থেকে, অসম্মান থেকে এবং আমি আপনার কাছে আরও আশ্রয় চাই কাউকে জুলুম করা থেকে অথবা কারও দ্বারা অত্যাচারিত হওয়া থেকে। (সহিহ বুখারি)
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন, হজরত রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিয়মিত তওবা-ইসতেগফার করবে মহান আল্লাহ তাকে সব সংকট থেকে উত্তরণের পথ বের করে দেবেন, সব দুশ্চিন্তা মিটিয়ে দেবেন এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে রিজিকের ব্যবস্থা করে দেবেন। (সুনানে আবু দাউদ)
বান্দা যখন নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করে, তখন মহান আল্লাহ তার প্রতি খুশি হন। বিপদাপদ ও অভাব-অনটন দূর করার পাশাপাশি নেয়ামত বৃদ্ধি করে দেন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করো, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের (নেয়ামত) বাড়িয়ে দেব, আর যদি তোমরা অকৃতজ্ঞ হও, নিশ্চয়ই আমার আজাব বড় কঠিন।’ (সুরা ইবরাহিম ০৭)
রিজিকের মালিক আল্লাহ। তিনি যাকে চান অঢেল রিজিক দান করেন। আমাদের কাজ হলো তার নির্দেশ অনুযায়ী পরিশ্রম করে হালাল উপার্জন করা। আল্লাহতায়ালা আমাদের মনের সব ভালো ইচ্ছা পূরণ করুন। আমিন।
