ভাতিজা-ভাগিনাসহ আত্মীয়-স্বজনকে নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনকে (ডিএনসিসি) পরিবারিক একটি সিন্ডিকেটে পরিণত করেছিলেন সদ্য সাবেক মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। ডিএনসিসির ছোট-বড় সব খাত থেকে অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। লুটপাট থেকে বাদ যায়নি বস্তি উন্নয়নের টাকাও।
তাছাড়া ঠিকাদারদের কাছ থেকে কমিশন, নিয়োগ, বদলি ও ময়লা বাণিজ্যসহ ঘনিষ্ঠজনদের নিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছেন রাজধানীর সেবাদানকারী এ প্রতিষ্ঠানটিকে। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে খরচ করেছেন জনগণের করের টাকা। বাড়তি বিল ভাউচারে আপত্তি তোলায় কর্মকর্তাকে বদলি করার মতো নজিরও স্থাপন করেছেন সাবেক মেয়র আতিকুল। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের প্রভাবশালীদের সঙ্গে সখ্য থাকার কারণে শত দুর্নীতি করেও ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন তিনি। দুর্নীতি সংক্রান্ত নথি ও ডিএনসিসির একাধিক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
গত ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর আওয়ামী লীগের অন্য সুবিধাভোগীদের মতো বেকায়দায় পড়েন মেয়র আতিকুলও। তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারকে ‘ম্যানেজ’ করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত মন্ত্রণালয় থেকে তাকে বরখাস্ত করা হয়। একই সঙ্গে নিয়োগ করা হয় প্রশাসক।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মেয়র না থাকলেও তার লুটপাটের সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে এখনো চলছে ডিএনসিসি যারা অনিয়ম-দুর্নীতির নানা নথিপত্র ধামাচাপা দেওয়ার কাজ করছেন বলে অভিযোগও উঠেছে।
গত ১৮ আগস্ট রাতে নগর ভবনে যান সাবেক মেয়র আতিকুল। এ সময় তার সঙ্গে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা প্রহরীরা ছিলেন। বিক্ষুব্ধ জনতা নগর ভবনের সামনে অবস্থান নেওয়ার খবর পেলে তিনি পেছনের দরজা দিয়ে বের হয়ে যান। সে সময়কার ক্লোজ সার্কিট (সিসি) টিভি ফুটেজেও ডিএনসিসির এক কর্মকর্তাকে স্পষ্ট দেখা গেছে।
জানা গেছে, ওই দিন আতিকুলকে নগর ভবনে নিয়ে আসা থেকে শুরু করে পালিয়ে যাওয়া পর্যন্ত একাধিক কর্মকর্তার হাত রয়েছে। কয়েকজন কর্মকর্তার মাধ্যমে এখনো নিয়মিত সিটি করপোরেশন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছেন সদ্য সাবেক মেয়র আতিক। তাছাড়া দুর্নীতির নথিপত্র যাতে সংবাদমাধ্যমে না যায় সে ব্যাপারেও কয়েকজন কর্মকর্তা খুব সতর্ক ভূমিকা পালন করছেন।
ক্ষুব্ধ কর্মচারীরা অভিযোগ করেছেন, মেয়র থাকাকালে আতিকুল মানুষের করের টাকায় আওয়ামী লীগের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতেন। সরকারের ক্ষমতাবলে নিয়ম-কানুনের কোনো তোয়াক্কা না করে ইচ্ছামতো সিটি করপোরেশন পরিচালনা করেছেন। কাজের আগেই বিল দেওয়া, আগে কাজ করে পরে দরপত্র আহ্বান করে সাজানো বিল-ভাউচার তৈরি, পদ্মা সেতুর কর্মসূচিতে ডিএনসিসির টাকা খরচ, পানি ছিটানো, গাছ লাগানো, খাল পরিষ্কার, মশার নকল ওষুধ আমদানিসহ নানা খাতে লুটপাট চালিয়েছে আতিক প্রশাসন। শেষে ময়লা বাণিজ্যেও ভাগ বসান সাবেক এ মেয়র।
পরিবারতন্ত্র : ২০২২ সালে পাঁচজন উপদেষ্টা নিয়োগ দেন আতিকুল ইসলাম। তাদের মধ্যে চারজন বিশেষজ্ঞ থাকলেও একমাত্র নিজের বড় ভাইয়ের ছেলে ইমরান আহমেদই ছিলেন ব্যতিক্রম। অন্যদের মতো বিশেষজ্ঞ না হয়েও তিনি নিয়োগ পান। নিজের মেয়ে বুশরা আফরিনকে চিফ হিট অফিসার হিসেবে নিয়োগ দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন সাবেক মেয়র। বিতর্কের মুখে মেয়রকন্যা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা হিসেবে ঢাকার তাপমাত্রা কমানোর কাজ করবেন বলে জানায় ডিএনসিসি।
চিফ হিট অফিসারের পরামর্শে নগরীর বিভিন্ন আইল্যান্ডে কিছু গাছ লাগায় ডিএনসিসি। রাজধানীর কয়েকটি সড়কে গাড়ি থেকে ওপরের দিকে পানি ছিটিয়ে কৃত্রিম বৃষ্টি বলে চালিয়ে দেওয়া হয়। এই কৃত্রিম বৃষ্টির নামে অন্তত ২ কোটি টাকা খরচ দেখানো হয়েছে।
২০২৩ সালের শুরুতে ডিএনসিসির ১৯তম বোর্ড সভায়, বৃক্ষরোপণের জন্য শক্তি ফাউন্ডেশনের সঙ্গে একটি চুক্তি অনুমোদন করেন। ওই চুক্তির অধীনে সবুজায়ন এবং পরিবেশ উন্নয়নে নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। পরে সবুজায়ন সংক্রান্ত আরও একটি প্রকল্প দেওয়া হয় শক্তি ফাউন্ডেশনকে। এই প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা এবং নির্বাহী পরিচালক হুমায়রা ইসলাম সাবেক মেয়র আতিকুলের শ্যালিকা। এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত আছেন আতিকুলের ভাই সাবেক প্রধান বিচারপতি তোফাজ্জল হোসেন, ভাগ্নে ইমরান এবং মেয়ে বুশরা আফরিন।
ভাগিনা তৌফিকের মাধ্যমে ঠিকাদার ম্যানেজসহ সিটি করপোরেশনের প্রায় সব ধরনের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন আতিক। ঠিকাদার ও কর্মচারী-কর্মকর্তারা তাকে দ্বিতীয় মেয়র হিসেবেই চিনতেন। তার কথায় কর্মকর্তারা ‘উঠতেন-বসতেন’। দেশ-বিদেশে সিটি করপোরেশনের যত বড় কর্মসূচি হয়েছে তার প্রায় সবগুলোতেই ভাগিনাকে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। সিটি করপোরেশনের কোনো পদে না থেকেও সব কর্মকা-ে ছিল তৌফিকের নিয়ন্ত্রণ। এমনকি কর্মকর্তাদের নিজস্ব সভায়ও উপস্থিত থাকতেন তিনি।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত বছরের ২৪ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সের কমার্শিয়াল ল’ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (সিএলডিপি)-এর আমন্ত্রণে ডিএনসিসির ১০ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেন তৌফিক। গত বছরের ১৩ থেকে ১৮ মার্চ বিশ্বব্যাংকের ট্রান্সফর্মিং ট্রান্সপোর্টেশনের ২০তম সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে সাবেক মেয়রের নেতৃত্বে একটি দল যুক্তরাষ্ট্রে যায়। ওই সফরেও সঙ্গী হন তৌফিক। গত বছরের ১৮ থেকে ২৫ মে চীনে ওয়েস্ট বেইজড পাওয়ার প্লান্ট পরিদর্শনে সাবেক মেয়রের সঙ্গী ছিলেন তিনি। গত ৯ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত কোরিয়া ফাউন্ডেশনের আমন্ত্রণে নগর ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত অভিজ্ঞতা বিনিময়ে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউল সফরেও আতিকের সঙ্গী ছিলেন তৌফিক।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঠিকাদারের সঙ্গে দেনদরবার করার কাজ করতেন তৌফিক এবং মেয়রের সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) ফরিদ উদ্দিন। সাবেক মেয়রের সহকারী একান্ত সচিব ফরিদ উদ্দিনের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিডি ক্লিন। এই সংগঠনের ব্যানারে বেশ কয়েকটি প্রোগ্রাম করেন মেয়র। ২০২১ থেকে ২২ সালের মধ্যে বিশেষ অনুদান হিসেবে এই সংগঠনকে অন্তত ২২ লাখ টাকা দেয় ডিএনসিসি। এরপর আরও বেশ কয়েকবার অনুদান দেওয়া হলেও সেই কাগজপত্র খুঁজে পাচ্ছেন না সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তারা ধারণা করছেন, করপোরেশন থেকে চলে যাওয়ার আগে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি গায়েব করেন মেয়রের লোকজন। সে সব নথিতে তাদের আরও অনেক অপকর্ম রয়েছে।
রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বস্তি উন্নয়নের টাকা লুটপাট : মেয়র থাকাকালেই আতিকের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নের নামে বস্তি উন্নয়নের টাকা লুটপাটের অভিযোগ ওঠে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে খরচ হিসাব করে দেখা গেছে, বস্তি উন্নয়ন বিভাগের আড়াই কোটির বেশি টাকা লুটপাট হয়েছে কয়েকটি রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০২২ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বনানী কবরস্থানে আগমন উপলক্ষে প্যান্ডেল, গেট ও লাইটিং করে ডিএনসিসি। এ বাবদ খরচ দেখানো হয় প্রায় ৫০ লাখ টাকা। একই বছর ৯ সেপ্টেম্বর শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে একই স্থানে একই খাতে প্রায় ১০ লাখ টাকা খরচ দেখানো হয়। ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবসেও প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সেখানে ১০ লাখ টাকা খরচ দেখায় ডিএনসিসি। তাছাড়া মেট্রোরেলের উদ্বোধন উপলক্ষে ৪১ লাখ টাকা খরচ করা হয়। ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে খরচ করা হয় ৪০ লাখ ৩০ হাজার টাকা। ওই বছরের ১২ সেপ্টেম্বর ডিএনসিসির উন্নয়ন কর্মকা- বিদেশিদের জানাতে একটি পাঁচ তারকা হোটেলে প্রায় ৫০ লাখ টাকা খরচ করে সংস্থাটি। বার্ষিক বনভোজন ও করপোরেশন সভার জন্য ৬৫ লাখ টাকা খরচ করা হয়।
ওই অর্থবছরে আড়াই কোটি টাকার বেশি এ খরচ ডিএনসিসির ২১তম সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। ‘অস্বাভাবিক’ এসব খরচ দেখানো হয়েছে সমাজকল্যাণ ও বস্তি উন্নয়ন বিভাগ থেকে। যেসব অর্থ সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী এবং বস্তিবাসীর উন্নয়নে খরচ করার কথা।
তবে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী তথা নিম্নআয়ের মানুষদের নিয়ে কিছু কর্মসূচি পালন করেছেন সাবেক মেয়র আতিক। প্রচ- তাপপ্রবাহে রিকশাচালকদের ছাতা, পানির বোতল উপহার দেওয়া কিংবা ছিন্নমূল মানুষকে ইফতার করানো উল্লেখযোগ্য। গত রমজান মাসে গুলশান নগর ভবনের সামনে ছিন্নমূল মানুষদের ইফতার করানোর জন্য প্যান্ডেল তৈরি করে ডিএনসিসি। এই প্যান্ডেল তৈরিতে খরচ দেখানো হয়েছে ১ কোটি টাকার বেশি। ইফতারের খরচ দেখানো হয়েছে ৪৮ লাখ টাকা।
ডিএনসিসির প্রধান সমাজকল্যাণ ও বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন-উল-হাসানের কাছে এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি জনসংযোগ বিভাগে যোগাযোগ করতে বলেন।
এদিকে, পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের দিন ডিএনসিসির বিভিন্ন সড়কে আলোকসজ্জার নামে প্রায় ৭০ লাখ টাকা এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের নামেও প্রায় ৫০ লাখ টাকার বিল তৈরি করেন তৎকালীন মেয়রের অনুগতরা। গুলশানের নগর ভবনের ষষ্ঠ তলায় বঙ্গবন্ধু ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার পরিবারের সদস্যদের ছবি সংবলিত ফেস্টুন, দেয়াল সাজানো ও অফিস সাজানোর নামে কয়েক কোটি টাকা খরচ দেখানো হয়।
লুটপাটের সহযোগিতা না করায় বদলি : সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডিএনসিসির এমন কোনো খাত নেই যেখানে লুটপাট হয়নি। বস্তিবাসীর বরাদ্দ থেকে শুরু করে জনগণের করের টাকা যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে খরচ করেছেন সাবেক মেয়র আতিকুল। তার কাছে সবাই জিম্মি থাকার কারণে কেউ কোনো কথা বলতে পারেননি। লুটপাটে সহযোগিতা না করলে বদলি ও শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়েছে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।
২০২১ সালের ২৩ অক্টোবর বেরাইদের একটি রিসোর্টে ডিএনসিসির উন্নয়নমূলক কর্মকা- ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন আতিকুল ইসলাম। ওই সভায় সব মিলিয়ে খরচ হয় ১০ লাখ টাকা। কিন্তু তৎকালীন মেয়রের এপিএস ফরিদ উদ্দিন, তৎকালীন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজাসহ মেয়রের সিন্ডিকেট ২৯ লাখ টাকার ভাউচার তৈরি করেন। অস্বাভাবিক এ ভাউচারে স্বাক্ষর করতে রাজি না হওয়ায় তৎকালীন জনসংযোগ কর্মকর্তা আবুল বাশার মো. তাজুল ইসলামকে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে চট্টগ্রামে বদলি করা হয়। নানা চেষ্টা-তদবির করে তাজুল ইসলাম শিল্প মন্ত্রণালয়ে পোস্টিং নেন। কিন্তু ছাড়পত্র নেওয়ার জন্য বাধ্য হয়ে ওই ভাউচারে স্বাক্ষর করেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে বক্তব্য নিতে আতিকুল ইসলামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিয়েও সংযোগ পাওয়া যায়নি। সদ্য সাবেক মেয়রের অনিয়ম-দুর্নীতি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ডিএনসিসির প্রশাসক মো. মাহমুদুল হাসান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘অনেক অভিযোগ আসছে, এগুলো আমরা সংরক্ষণ করছি। এখনো কোনো কমিটি গঠন করিনি। সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থা যদি কোনো উদ্যোগ নেয় তবে আমরা তাদের সহযোগিতা করব।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে। এখন আমাদের মূল লক্ষ্য সততার সঙ্গে নাগরিক সেবা দেওয়া।’
ডিএনসিসির প্রথম মেয়র আনিসুল হকের মৃত্যুর পর উপ-নির্বাচনে মেয়র হন আতিকুল ইসলাম। ওই পরিষদের মেয়াদ শেষে ২০২০ সালে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মেয়র নির্বাচিত হন এ ব্যবসায়ী নেতা। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ১৯ আগস্ট স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় মেয়র পদ থেকে আতিকুলকে অপসারণ করে।
