কয়লা দূষণ বন্ধ করে সুন্দরবনের পশুর নদী রক্ষায় মানববন্ধন

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০২:০৩ পিএম

সর্বত্র কয়লার ব্যবহার বন্ধ কর, শতভাগ নবাযোগ্য জ্বালানি চাই ‘কয়লা দূষণ বন্ধ কর, পশুর নদী রক্ষা কর’’ এই স্লোগানে বাগেরহাটের মোংলায় নৌ র‌্যালী ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে জলবায়ু ন্যায্যতার জন্য বিশ্বব্যাপী আন্দোলনের অংশ হিসেবে এশিয়া ডে অফ অ্যাকশন কর্মসুচি উপলক্ষে সুন্দরবন সংলগ্ন মোংলা উপজেলার পশুর নদীরপাড়ে ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), ওয়াটারকিপার্স  বাংলাদেশ ও পশুর রিভার ওয়াটারকিপারের যৌথ আয়োজনে নৌ র‌্যালি এবং মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়।

 এই কর্মসূচিতে কয়েকশ নারী পুরুষ অংশ গ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা নদীরপাড়ে হাতে হাত দিয়ে লাইন দাঁড়িয়ে এবং নদীর মধ্যে নৌযানে করে তারা ওই কর্মসূচি পালন করে। পরিবেশের ক্ষতি করে এমন নানা স্লোগান লেখা প্লাকার্ড, ফেস্টুন ও ব্যানার তাদের হাতে দেখা যায়।

মানববন্ধনে পশুর রিভার ওয়াটারকিপার ও পরিবেশ আন্দোলনের নেতা মো. নূর আলম শেখ বলেন, পরিবেশ ধ্বংসকারী কয়লার ব্যবহার বন্ধ করে শতভাগ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর করতে হবে। ২০৩৫ সালের মধ্যে এশিয়া থেকে কয়লা ভিত্তিক জ্বালানি প্রকল্প তুলে দিতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কয়লার পরিসমাপ্তি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি শক্তিতে রূপান্তর এখন সময়ের দাবি। কয়লার নির্ভরশীল বৃহত্তম বাজার হচ্ছে এশিয়া। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কয়লার পরিসমাপ্তি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি শক্তিতে রূপান্তর মাইলফলক অগ্রগতি হিসেবে বিবেচ্য হবে।

তিনি আরও বলেন, অবিলম্বে সুন্দরবন বিনাশী রামপাল কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পসহ সকল কয়লা বিদ্যুৎতের সকল প্রকল্প বাতিল করতে হবে। পরিচ্ছন্ন নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকল্পগুলোতে বিনিয়োগ করতে হবে। কয়লা নির্ভরতার অবসান কেবল পরিবেশের জন্যই নয়, এই অঞ্চলের জনস্বাস্থ্য এবং আর্থ-সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) এর নেতা গীতিকার মোল্যা আল মামুন, আব্দুর রশিদ হাওলাদার, পশুর রিভার ওয়াটারকিপার ভলান্টিয়ার নাজমুল হক, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশর কমলা সরকার, হাছিব সরদার, পশুর রিভার ওয়াটারকিপার ভলান্টিয়ার চন্দ্রিকা মন্ডল, মারুফ বিল্লাহ,রাসেল শেখ, মেহেদী হাসান বাবু প্রমূখ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত