প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলা

১০ জনের দন্ড তদন্তে গাফিলতি খালাস শতাধিক

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৭:৪৮ এএম

প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় শাহবাগ থানার মামলায় ১২৪ জনের মধ্যে ১০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছে আদালত। তাদের মধ্যে সাতজনকে চার বছর এবং তিনজনের দুই বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১১৪ জনকে খালাস দেয় আদালত।

গতকাল রবিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুল হক এই দন্ড দেন। তবে দণ্ডিত সব আসামি পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

২০১৭ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি আবাসিক হলে সিআইডি অভিযান চালিয়ে মামুন ও রানা নামে দুই শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরদিন পরীক্ষার হল থেকে গ্রেপ্তার হন রাফি নামে ভর্তিচ্ছু একজন শিক্ষার্থী। সেদিনই শাহবাগ থানায় ২০০৬ সালের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনের ৬৩ ধারা এবং ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনের ৯(খ) ধারায় মামলা করেন সিআইডি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সিনিয়র এএসপি সুমন কুমার দাস ২০১৯ সালে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ৮৭ শিক্ষার্থীসহ ১২৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনের ৯(খ) ধারায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১২৪ জনের বিচার শুরু করেন। বিচার চলাকালে আদালত ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। আসামিরা যৌথভাবে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষাসহ সরকারি চাকরির প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত।

আদালত বলে, প্রসিকিউশনের দুর্বলতা এবং তদন্ত কর্মকর্তার গাফিলতির কারণে অধিকাংশ আসামি খালাস পেয়েছেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেছেন মনিরুজ্জামান।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত